Friday, December 23, 2016

Sex Health › আমার যৌন আনন্দ লাভের অনেক আগেই আমার স্বামীর বীর্য বের হয়ে যায়। কি করা উচিৎ?

Edit Posted by with No comments

আগেই যদি স্বামীর বীর্যপতন ঘটে তবে সেটা স্ত্রীর
পক্ষে অবশ্যই হতাশাজনক। সেই হতাশার বশে
অনেকেই ভুল পদক্ষেপ করে ফেলে যা পরবর্তীকালে
অশেষ শারীরিক ও মানসিক অশান্তির কারণ হয়। তাই
প্রশ্নকর্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলব তাৎক্ষণিক যৌন আনন্দ
লাভের জন্য নিজেকে কোন পরকীয়ায় জড়াবেন না,
তাতে ভবিষ্যতে গভীর সমস্যা হতে পারে। আপনার
স্বামীর সমস্যার অন্য সমাধান রয়েছে।
প্রথমত খোলাখুলি আপনার স্বামীর সঙ্গে কথা বলুন।
তাকে বোঝান যে আপনার যৌনতৃপ্তি হচ্ছে না।
কিন্তু তাই বলে আপনার স্বামীকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য
করবেন না, তাতে হীতে বিপরীত হতে পারে। ওনার
আত্মবিশ্বাস নষ্ট হয়ে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।
স্বামীর সাথে কথা বলে কোন ভাল সেক্সোলজিষ্ট
বা relationship councilor -এর কাছে নিয়ে যান। কারণ
খুব তাড়াতাড়ি বীর্যপাত হওয়া (শীঘ্রপতন) মূলত
একটি মানসিক সমস্যা।
নারীদের বেশী পছন্দ পুরুষদের শরীরের যে
অঙ্গগুলো !
সেক্সোলজিষ্ট বা কাউন্সিলর ওনার সাথে কথা
বলে ওই সমস্যা কেন হচ্ছে তার কারণ বুঝতে পারবেন
ও কিভাবে সেটা নিয়ন্ত্রণ করা যায় সেটা বলতে
পারবেন। যোনির মধ্যে লিঙ্গ প্রবেশ করানোর ১
থেকে দুই মিনিটের মধ্যে বীর্যপাত হলে তবেই
ডাক্তারি পরিভাষায় তাকে শীঘ্রপতন বলা হয়
(এখানে উল্লেখযোগ্য যে গড়ে 7 মিনিটের মধ্যেই
পুরুষদের বীর্যস্খলন হয়ে যায়।)। শীঘ্রপতনের কারণ
কি তা সঠিক জানা যায় নি, তবে একাধিক কারণ
অনুমান করা হয়।
যেমন বয়ঃসন্ধির সময় অতিরিক্ত হস্তমৈথুন ও সেই
সময় কেউ যাতে দেখে না ফেলে সেজন্য দ্রুত
বীর্যস্খলনের চেষ্টার ফলে সেটাই অভ্যাসে পরিণত
হয়। এছাড়াও অশান্তি, দুশ্চিন্তা, বৌকে সুখি করতে
না পারার মানসিক চাপ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ,
শরীরে কোন আঘাত ইত্যাদির জন্যেও শীঘ্রপতন হতে
পারে। কিছু কিছু ঔষধের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ার ফলে
এবং নিয়মিত যৌনমিলন না করলেও শীঘ্রপতন হতে
পরে। প্রায় ৩০ শতাংশ পুরুষ জীবনের কোন না কোন
সময়ে শীঘ্রপতনের শিকার হয়।
স্ত্রীর যৌন আনন্দ লাভের অনেক

এখন থেকে রোবটের যৌনসেবা পাওয়া যাবে ক্যাফেতে Sex Health ›

Edit Posted by with No comments

কিছুদিন আগেই সুইজারল্যান্ডে ফেলাটিও
ক্যাফে কফির সঙ্গে যৌনতার সুযোগ চালু করে
হইচই ফেলে দিয়েছে। তবে এবার সে ব্যবসার
উদ্যোক্তা লন্ডনে নতুন এক ব্যবসা পরিচালনা শুরু
করতে যাচ্ছেন।
এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ম্যানস
ওয়ার্ল্ড ইন্ডিয়া।
লন্ডনে চালু হতে যাচ্ছে এ অদ্ভুত ক্যাফে। এতে
উদ্যোক্তা ব্রাডলি চারভেট যে আইডিয়া নিয়ে
এসেছেন, তা এককথায় নজিরবিহীন। কারণ এতে
পুরুষদের যৌন চাহিদা পূরণ করার ব্যবস্থা করা
হচ্ছে। তবে এ জন্য ব্যবহার করা হবে রোবট।
আপনি যদি এ ক্যাফেতে এক কাপ কফি ও এসকর্ট
সার্ভিসের অর্ডার দেন তাহলে আপনাকে নারী
রোবট পাঠানো হবে। একইভাবে নারীদের জন্য
প্রয়োজনমাফিক পুরুষ রোবটও পাঠানো হবে।
কিন্তু মানুষ বাদ দিয়ে রোবট কেন? এ বিষয়ে
উদ্যোক্তা ব্রাডলি চারভেট এক সাক্ষাৎকারে
জানান, এটি মূলত আইনের কারণেই করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘লন্ডনে মানুষ দিয়ে যৌনসেবা
দেওয়া আইনসম্মত নয়। রোবট খুব একটা পছন্দসই নয়।
তার পরও এ বিষয়টি ভাবা এখন হাস্যকর নয়।
আপনি ভাবতেও পারবেন না ২০১৬ সালে কত মানুষ
রোবট নিয়ে এ ভাবনা ভাবছেন। আমরা হাজারো
সম্ভাব্য ক্রেতাদের সঙ্গে আলাপ করেছি।
দেখেছি, তারা রোবটের সঙ্গে যৌনতা করতে
খুবই আগ্রহী। আর এ সেবা প্রথম দেওয়ার সুযোগ
পাচ্ছি আমরা। ‘
রোবটের মাধ্যমে যৌনসেবা দেওয়ার বিষয়টি
পরবর্তীতে অন্যান্য দেশেও পরিচালনা করা
যেতে পারে বলে মনে করছেন উদ্যোক্তা। আর
এটি নির্ভর করছে এ ব্যবসার সাফল্যের ওপর।
এ সার্ভিসের মূল্য কেমন হবে? এ প্রসঙ্গে
ব্রাডলি চারভেট জানান, ‘বহু মানুষই
যৌনকর্মীদের কম টাকা দিতে চান। আর আমরাও
তাদের এ মতামতকে সম্মানের সঙ্গে দেখতে চাই।

জেনে নিন স্ত্রী সহবাসের বিশেষ কিছু আদব ও বিধি নিষেধ Sex Health ›

Edit Posted by with No comments

সংগমের কিছু আদব ও নিয়ম নিন্মরূপ- কোন শিশু
বা পশুর সামনে সংগমে রত না হওয়া, পর্দা ঘেরা
স্থানে সংগম করা, সংগম শুরু করার পূর্বে শৃঙ্গার
(চুম্বন, স্তন মর্দন ইত্যাদি) করবে। বীর্য,
যৌনাঙ্গের রস ইত্যাদি মোছার জন্য এক টুকরা
কাপড় রাখা, সংগম অবস্থায় বেশী কথা না বলা,
বীর্যের ও স্ত্রীর যৌনাঙ্গের প্রতি দৃষ্টি না
করা, সংগম শেষে পেশাব করে নেয়া, এক
সংগমের পর পুনর্বার সংগমে লিপ্ত হতে চাইলে
যৌনাঙ্গ এবং হাত ধুয়ে নিতে হবে,
বীর্যপাতের পরই স্বামীর নেমে না যাওয়া বরং
স্ত্রীর উপর অপেক্ষা করা, যেন স্ত্রীও তার
খাহেশ পূর্ণ মাত্রায় মিটিয়ে নিতে পারে,
সংগমের পর অন্ততঃ বিছুক্ষণ ঘুমানো উত্তম,
জুমুআর দিনে সংগম করা মুস্তাহাব, সংগমের
বিষয় কারও নিকট প্রকাশ করা নেষেধ, এটা
একদিকে নির্লজ্জতা, অন্যদিকে স্বামী/স্ত্রীর
হক নষ্ট করা, সংগম অবস্থায় স্ত্রী-যোনীর
দিকে নজর না দেয়া, তবে হযরত ইবনে ওমর (রা.)
সংগম, অবস্থায় স্ত্রী-যোনীর দিকে দৃষ্টি দয়া
উত্তেজনা বৃদ্ধির সহায়ক বিধায় এটাকে উত্তম
বলতেন। (দেখুন- আহকামে জিন্দেগী)
বি. দ্র :- বাংলা সেক্স টিপস একটি যৌন ও
প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ক বাংলা ব্লগ। কোন
লেখায় “অশালীনতা প্রকাশ পেয়েছে”
পাঠকদের পক্ষ থেকে এই ধরনের ধারণা বা
মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়।

স্বামীর গোপন ক্যামেরা, বউয়ের ঘরে সাথে সাথে ফলাফল Sex Health

Edit Posted by with No comments
রেখা দেবী অন্য
পুরুষদের সঙ্গে সম্পর্কে লিপ্ত। তাঁর
সেই সমস্ত অবৈধ ক্রিয়াকলাপের
প্রমাণ সংগ্রহ করতেই তাঁর ঘরে
ক্যামেরা লাগিয়েছিলেন বলে দাবি
রাকেশের।
ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘটে যাওয়া
বধূ নির্যাতনের অনেক ঘটনাই
সংবাদপত্রের পাতায় চোখ রাখলেই
নজরে আসে। এবার বধূর উপরে এক অদ্ভুত
কায়দায় নির্যাতন চালানোর অভিযোগ
উঠল তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। যেখানে
বাড়ির বউয়ের শোওয়ার ঘরে গোপন
ক্যামেরা লাগিয়ে তাঁর অশ্লীল ভিডিও
তুললেন স্বামী।
ঘটনাস্থল আগ্রার এতমাদৌল্লা থানা
এলাকা। অভিযুক্ত রাকেশ শর্মার সঙ্গে
টুন্ডলা নিবাসী রেখা দেবীর (নাম
পরিবর্তিত) বিয়ে হয় ২০১৩ সালে।
রেখা দেবীর অভিযোগ, বিয়ের পর
থেকেই টাকা-পয়সার জন্য চাপ দিয়ে
তাঁর উপর অত্যাচার চালাতেন রাকেশ।
নির্যাতিত রেখা অত্যাচার সহ্য করতে
না পেরে বছর খানেক আগে বাপের
বাড়ি চলে যান। থানায় অভিযোগ
দায়ের করেন স্বামীর বিরুদ্ধে। মাস
ছয়েক আগে কোর্ট আদেশ দেয়,
রেখাকে তাঁর শ্বশুরবাড়িতে একটি ঘর
এবং নিয়মিত মাসোহারা দিতে হবে।
এর পরে গত ৫ ডিসেম্বর রেখা নিজের
শ্বশুরবাড়িতে তাঁর জন্য নির্দিষ্ট
ঘরটিতে আসেন। রাত্রিবেলা কাপড়
বদলে তিনি শুয়ে পড়েন। পরদিন সকালে
যখন তিনি কাপড় বদলাচ্ছেন, তখনই তাঁর
চোখে পড়ে, দেওয়ালে লাগানো
রয়েছে গোপন ক্যামেরা।
১৪ ডিসেম্বর এই নিয়ে থানায় অভিযোগ
দায়ের করেন রেখা দেবী। তিনি বলেন,
‘শ্বশুরবাড়িতে আমার ঘরে গোপন
ক্যামেরা লাগিয়েছিলেন আমার
স্বামী। এই নিয়ে যখন আমি স্বামীকে
প্রশ্ন করি, তখন তিনি আমার সঙ্গে
ঝগড়া শুরু করেন। আমাকে হুমকি দেন, এই
নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে আমার
অশ্লীল ভিডিও তিনি ইন্টারনেটে
ছড়িয়ে দেবেন।’
লাঞ্ছিতা বধূর অভিযোগের ভিত্তিতে
পুলিশ রাকেশের বাড়িতে হানা দেয় ১৯
ডিসেম্বর। শুধু রেখা দেবীর শোওয়ার
ঘরে নয়, বাড়ির উঠোন আর রান্নাঘর
থেকেও গোপন ক্যামেরা বাজেয়াপ্ত
করে পুলিশ।

যৌনমিলনের পর নারীদের করণীয় Sex Health ›

Edit Posted by with No comments

যেন এক নিষিদ্ধ বিষয় যৌনতা। এ নিয়ে আলোচনা করতে চান না কেউ। কিন্তু স্বাস্থ্যের যত্নে যৌনতা সম্পর্ক পরিষ্কার ধারণা থাকা উচিত মানুষের। সচেতন না হলে উপভোগ্য যৌনতার পর অনাকাঙ্ক্ষিত সংক্রমণ ঘটে যেতে পারে।
বিশেষ করে নারীদের জন্য অশনি সংকেতের কথা জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই পরে অনুতাপ না করার চেয়ে আগে থেকে জেনে প্রয়োজনয়ী পদক্ষেপ নেওয়া ভালো। সেক্সের পর নারীদের যৌনাঙ্গের পরিচ্ছন্নতা অতি জরুরি এক বিষয়। মারাত্মক সংক্রমণ থেকে বাঁচতে এ সম্পর্কে পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
১. মূত্র ত্যাগ : যৌনতার আগে ও পরে মূত্র ত্যাগের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। বিষাক্ত উপাদান বের করে দেওয়া ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ প্রতিরোধে এটাই প্রাকৃতিক ও সহজ উপায়। এভাবেই যোনিপথ পরিষ্কার করে নিতে হয় যৌনতার পর।
২. পানির ব্যবহার: এ কাজের পর বিশেষ অঙ্গ বিশেষ কোনো উপাদান দিয়ে পরিষ্কারের দরকার নেই। সবচেয়ে ভালো হয় যদি সাধারণ পানি দিয়ে ধোয়া হয়। হালকা উষ্ণ পানি দিয়ে ধোয়া আরো বেশি ভালো। মনে রাখতে হবে, যোনিপথ নিজেই নিজেকে পরিষ্কার করে ফেলে। এটা দেহের সহজাত প্রক্রিয়া। শুধু ওপরের অংশে পানি দিয়ে ধুলেই হবে।
৩. অন্তর্বাস বদলে ফেলা: আগের ব্যবহৃত অন্তর্বাস পরা যাবে না। নতুন ও পরিষ্কার অন্তর্বাস পরতে হবে। সংক্রমণ প্রতিরোধে এটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
৪. পানি পান: যৌনতার পর বেশি বেশি পানি খেতে হবে। অনেকেই সেক্সের পর খাবার খান। এর চেয়ে জরুরি পানি খাওয়া। অন্তত ২-৩ গ্লাস পানি খেতে হবে।
৫. প্রোবায়োটিক: যৌনতার পর নারীদের প্রোবায়োটিক খাওয়া উচিত বলে মনে করেন অনেক বিশেষজ্ঞ। এটা যৌনাঙ্গের স্বাস্থ্য ধরে রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায়। এ ছাড়া প্রোবায়োটিক যোনিতে স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়ার জন্মাতে সহায়তা করে। মূত্রথলিকেও সুষ্ঠু আকার দেয়।

Sunday, December 18, 2016

যৌন বিষয়ক প্রশ্ন-উত্তর নিয়ে: কি জানতে চান? অন্যরকম ভালবাসা

Edit Posted by with No comments

সম্প্রতি মলিকিউল ভাই বিবাহোন্মুখ পোলাপাইনদের জন্য অবশ্যপাঠ্য এই সিরিজে একটি চমৎকার লেখা শেষ করেছেন। কিন্তু যৌন জীবন নিয়ে প্রশ্ন এবং জিজ্ঞাসার তো শেষ নেই। অনেকেই নানান বিষয়ে জানতে চাচ্ছে সেই পোষ্টগুলোতে দেখলাম।

হস্তমৈথুন, যৌনক্রিয়ার আসন, শৃঙ্গার, জন্মনিয়ন্ত্রণ, শারিরীক সমস্যা ইত্যাদি বিষয়ে খোলামেলা আলোচনার আশা রাখি। যার যা প্রশ্ন বা কনফিউশন আছে পোষ্ট করুন। ধন্যবাদ।।

এই পর্যন্ত যে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা চলছে ১. ছেলে এবং মেয়েদের জি-স্পট

                                                             ২. জন্মনিয়ন্ত্রন পদ্ধতি

                                                                 ৩. শৃঙ্গার

                                                                     ৪. হস্তমৈথুন

                                                                             ৫. বিবিধ

Saturday, December 17, 2016

হাইরে ভালবাসা

Edit Posted by with No comments
 আসসালামু আলাইকুম বন্ধু গণ আশা করি আপনারা আল্লাহ্‌র রহমতে ভালই আছেন। আবারো আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি নতুন একটি টিউন নিয়ে।আশা করছি আপনাদের ভাল লাগবে    কোন ভুল হলে ছোট ভাই হিসাবে ক্ষমা করবেন এডমিন ভাইয়া।এক কথায় বলতে লম্বা সময়। যাই হোক সেটা বড় কথা না, আসতে পেরেছি বলেই অনেক খুশি, তো চলুন বেশি কথা না বাড়িয়ে আজকের টিউন এ চলে
একটি ছেলে তিন বছর সম্পর্কের পর মেয়েকে বলতেছে , ছেলেঃ আমার মনে হচ্ছে আমি তোমাকে ভালোবাসি না ।
মেয়েঃ কি ??
ছেলেঃ হ্যা , আমি আমার জীবনকে তোমার সাথে থেকে নষ্ট
করতে পারবো না ।
মেয়েঃ তুমি এই গুলো কি বলতেছ ??? এই রকম করো না আমার
সাথে ।... আমার ভুলটা কোথায় ? প্লিস বল 




ছেলেঃ আমি ব্রেক আপ চাচ্ছি ।
মেয়েঃ আমি তোমাকে ছাড়া থাকতে পারবো না
ছেলেঃ কিন্তু আমার ব্রেক আপ চাই ।
এইটা বলে ছেলে টা চলে গেল ।

মেয়েটি রাত্রে বেলা অনেক কান্নাকাটি করল । সে বুঝে উঠতে পারছেলিনা যে সে কি হারিয়েছে । এই রকম
কিছু দিন যাওয়ার পর ও ছেলেটি মেয়েটির
সাথে যোগাযোগ করলনা । তখন মেয়েটি নিজেকে অনেক শক্ত
করল । এবং সে তার বাবমাকে তাকে বিয়ে দেওয়ার
জন্যে পাত্র দেখতে বলল ।তারপর সে অন্য
একটি ছেলে কে বিয়ে করল । সে সবসময় ভাল থাকার চেষ্টা করত কিন্তু পারত না ।এমনকি তার বিয়ের পর ও
প্রত্যেক রাতে সে কাঁদত সেই ছেলেটির
জন্যে যে তাকে অন্ধকারে একা রেখে চলে গেছে ।
সে এখনো বিশ্বাস করে তার সেই মানুষটি তার কাছে আসবে ,
এবং তাকে নিয়ে একসাথে থাকবে ,কিন্তু তা আর হল না ।
বিয়ের ২ বছর পর মেয়েটি ছেলেটির বাড়িতে গেল তার বোনের সাথে দেখা করতে । তার বোনতাকে ছেলেটির
রুমে নিয়ে গেল এবং তার হাতে একটি চিঠি দিল
এবং কেঁদে কেঁদে বলল , যে তার ভাই ২ বছর
আগে ক্যান্সার এ মারা গেছে । তারপর
মেয়েটি বাড়িতে গেল ,তারপর
চিঠি টি খুলে পড়তে লাগলো "জান আমি জানি তুমি এখনো আমার জন্যে অপেক্ষা করছ ,কিন্তু
এই তা হয়ত আমাদের নিয়তিতে নেই । তুমি মন খারাপ
করো না , আমি এই কাজ করেছি শুধু তোমাকে শক্ত করার
জন্যে ,তোমাকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্যে।
কখনো নিজেকে দোষারোপ করো না কোন কিছুর জন্যে ।
আমি এখনো বেচে আছি তোমার হৃদয়ের মাঝে । আছি না ?? এবং তোমার ভালবাসা কখনো হারাবে না ।আশা ছেড়ো না ,
সবসময় হাসি খুশি থাকবে ,তুমি জানো আমি তোমার  হাসি মুখ তা দেখতে অনেক ভালোবাসি ।আমি সব সময় তোমার সাথে ছিলাম , আছি , থাকব । জানি না কেমন লেগেছে সত্যি কারের গল্পটা , তবে বলবো যদি কষ্ট লেগে থাকে তাহলে ১ শেয়ার করবেন যাদের কাছে কষ্ট লাগছে ।

Sunday, December 11, 2016

স্তন বড় করার সবচেয়ে সহজ উপায়!

Edit Posted by with No comments
স্তন বড় করার সবচেয়ে সহজ উপায়!
নারীর প্রকৃত সুন্দর্য ফুটাতে সঠিক মাপের সুডৌল স্তনের জুড়ি নেই। বড় ব্রেস্ট মেয়েদের যৌন আকর্ষনীয় করে তোলে৷ আজকাল বেশিরভাগ নারী স্তনের গুরুত্ব বোঝে। অনেকে আছেন স্তন বড় ও সুন্দর করার নিয়ম খুজছেন বা অনেক পন্থা ইতিমধ্যেই অবলম্বন করছেন। কেউ হয়ত ভালো ফলাফল পেয়েছেন কেউ আবার পান নাই। এখন প্রাকৃতিকভাবেই ব্রেস্ট বড় করা যায়, সার্জারীর প্রয়োজন তেমন হয় না। সাধারণত ৩৪-৩৬ মেয়েদের স্ট্যান্ডার্ড ব্রেস্ট সাইজ। তবে অনেকের ব্রেস্ট আকারে ছোট হয়। এ লেখাটি তাদের জন্য যাদের ব্রেস্টের মাপ ৩৪-৩৬ এর নিচে। নিম্নে প্রাকৃতিকভাবে ব্রেস্ট বড় করার উপায় আলোচনা করা হলোঃ
১. হাত ঘষে গরম করে দুই হাত স্তনের নিচে হালকা চেপে ধরে ডানহাত ঘড়ির কাটার দিকে আর বাম হাতে ঘড়ির কাটার উল্টা দিকের মত ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করুন। সকালে ঘুম থেকে ওঠার সময় আর রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ১০-১৫ মিনিট এভাবে ১০০…থেকে ৩০০ বার ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করুন। মাস খানেকের মধ্যে স্তনের সাইজ কিছুটা বাড়তে পারে। সেই সাথে পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেতে হবে, রাতে অনেক ঘুমাতে হবে। ব্রেস্টে নিয়মিত ম্যাসাজ করলেও এটা ধীরে ধীরে বড় হয়। আবার নিয়মিত সেক্স করলে ও তা বড় হয় (বিবাহিতদের…জন্য)। তবে এসময় নিজের অর্গ্যাজমের উপর নজর দিতে হবে। অনেকক্ষণ ধরে সেক্স করার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে এবং সেক্সে পুরোপুরি তৃপ্ত হওয়ার চেষ্টা করতে হবে। নিজেকে শারীরিক এবং মানসিকভাবে পুরো সক্রিয় থাকতে হবে। এতে দেহে হরমোনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে যা ব্রেস্ট বড় করতে সহায়তা করবে।
২. মেয়েদের জন্য ব্রেস্টের কিছু স্পেশাল ব্যায়াম আছে যেমন: বেঞ্চ প্রেস, বাটারফ্লাই প্রেস, পুশ-আপ (বুকডাউন) নিয়মিত এগুলো করে স্তনের টিস্যুতে ব্লাড ফ্লো বাড়াতে হবে। এতে বুকের পেশিগুলো সঠিক শেপে এসে স্তনকে সুগঠিক করবে। এটা অনেকটা বডিবিল্ডাররা যেভাবে শরীরের পেশি বৃদ্ধি করে, সেভাবে কাজ করবে। দিনে বেশ কয়েকবার দুইহাত দুইদিকে প্রসারিত করে আবার এক করুন।
৩. হাত ঘষে গরম করে দুই হাত স্তনের নিচে হালকা চেপে ধরে ডানহাত ঘড়ির কাটার দিকে আর বাম হাতে ঘড়ির কাটার উল্টা দিকের মত ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করুন। সকালে ঘুম থেকে ওঠার সময় আর রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ১০-১৫ মিনিট এভাবে ১০০ থেকে ৩০০ বার ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করুন। মাস খানেকের মধ্যে স্তনের সাইজ কিছুটা বাড়তে পারে। সেই সাথে পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেতে হবে, রাতে অনেক ঘুমাতে হবে।
৪. বাথরুমে স্নান করার সময় হাত দিয়ে ব্রেস্টের চারপাশ ১০/১৫ মিনিট ম্যাসাজ করবেন। চাইলে ম্যাসাজের সময় হালকা গরম করে সামান্য সরিষার তেল বা খাঁটি মধু ব্যবহার করতে পারেন। আপনার শরীর যদি রোগা হয় তাহলে ২/৩ মাস সুষম খাদ্য খায়ে শরীরটা ঠিক করেন, দুধ, ডিম, ফল একটু বেশি খেলে উপকার পাবেন। চিন্তামুক্ত থাকার চেষ্টা করবেন। শরীর বাড়ার সাথে সাথে আপনার স্তন ও বড় হবে। ম্যাসাজটা চালিয়ে যাবেন। যদি পারেন তাহলে দিনে দুই বার ১০ থেকে ১৫ মিনিট আলতো ভাবে টিপবেন বা ম্যাসাজ করবেন। আর এইসময় কিন্তু সঠিক মাপের ব্রা ব্যবহার করতে হবে। নইলে ব্রেস্ট ঝুলে যেতে পারে।
৫. আপনি যখন থেকে ব্রেস্ট বড় করার জন্য ব্যায়াম ও ম্যাসাজ শুরু করবেন, তখন থেকে ব্রেস্ট এনলার্জিং ক্রিম ব্যবহার করা বন্ধ করে দিন (যদি ম্যাসাজ শুরুর আগে থেকে ব্রেস্ট এনলার্জিং ক্রিম ব্যবহার করে থাকেন)। কারণ এ ধরণের ক্রিম সাধারণত কোন কাজে আসে না। এছাড়া ব্রেস্ট বড় করার জন্য কোন পিল সেবন করবেন না। এগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। ব্রেস্ট ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে এসব ক্রিম/পিল ব্যাবহার করার ফলে।

Friday, December 9, 2016

জেনে নিন ছেলেদের কাছে কি চায় মেয়েরা?

Edit Posted by with No comments
আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই ? আশাকরি সবাই ভালই আছেন।আমিও আল্লাহ তালার রহমতে ভালই আছি। যাই থাকুক মুখে বলে অন্য কথা। এ সবের মধ্যেও আসল পছন্দটা কী? কলকাতা ও আশপাশের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে যা জানা গেল তা কিন্তু অবাক করে দেওয়ার মতো।তাঁদের বক্তব্য থেকে যেটা উঠে এল তাতে দেখা যাচ্ছে, ছেলেরা যতই কায়দার হেয়ার স্টাইল দেখাক, ঝক্কাস বাইক হাঁকাক, সিক্স প্যাকের সেক্সি বডি বানাক আসলে মেয়েরা নিদেন পক্ষে বাঙালি মেয়েরা পছন্দ করে একজন মজাদার ছেলেকে। সেটা বন্ধু হিসেবে, বয়ফ্রেন্ড হিসেবে, স্বামী হিসেবে কিংবা ডেটিং পার্টনার হিসেবে। মজার সঙ্গে বাকি দু’টো পেয়ে গেলে তো সোনায় সোহাগা।
কী বললেন তাঁরা?
ভাল চাকরি বা ব্যবসা তো চাই, ভাল স্বাস্থ্যও চাই কিন্তু সবার আগে তাঁকে মজাদার হতে হবে। কারণ, জীবনে মজা না থাকলে অর্থ কিংবা সেক্স সম্পূর্ণ আনন্দ দিতে পারে না। সুতরাং, যতই কেতা থাকুক, যতই কব্জি কিংবা পকেটের জোর থাকুক ‘রামগরুড়ের ছানা’ কখনও ভাল পার্টনার হতে পারে না।এটা কি মধ্যবিত্ত মানসিকতা? নাকি ঠেকে শেখা! সব মেয়েরই প্রকারান্তরে এক জবাব, কলেজ ক্যান্টিনে যে ছেলেটা টেবিল বাজিয়ে গান করে তার সেক্স নিয়ে কেউ মাথা ঘামায় না। কিন্তু তার প্রেমে পড়তে মন চায়। যে ছেলেটা দিনরাত জোকস শোনায় সে সবার আগে সকলের মধ্যমণি হয়ে ওঠে।
কারণটা কী?
  1. ১। মজাদার ছেলের সঙ্গ কখনও একঘেয়ে হয় না। নতুন নতুন কথা বলতে ও কাজ করতে পারে।
    ২। হাসিয়ে মন ভাল করে দেয়। যে কোনও বিষয়ে তার মন্তব্য শুনতে ইচ্ছে করে।
    ৩। মজাদার মানুষ বেশিরভাগই সৃষ্টিশীল। সংকটের সময় উপস্থিত বুদ্ধি কাজে লাগাতে পারে।
    ৪। রসবোধ দিয়ে পরিবেশকে হালকা করে রাখে। ঠান্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
    ৫। মজাদার ছেলেরা বেশি সেন্সেটিভ হয়। তাই গোমড়া মুখ দেখলেই না হাসিয়ে ছাড়ে না।
  2. কাজের চাপে তৈরি হওয়া অবসাদে এই মজাটাই তো সবচেয়ে দরকারি। আর মজায় থাকা মানেই তো সেক্স কিংবা সংসার সর্বত্রই সুখ।
 সবাইকে ধন্যবাদ। আজ এই পর্যন্ত, সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ্য থাকবেন, আল্লাহ হাফেজ।

জেনে নিন মেয়েরা কখন যৌন মিলনের জন্য পাগল হয়ে ওঠে

Edit Posted by with No comments
 আসসালামুআলাইকুম……. চলুন পোষ্টটি শুরু করি মেয়েরা তাদের জীবন সঙ্গীর সঙ্গে যৌন মিলন করতে চায়৷ কিন্তু বুক ফাটলেও মুখ ফুটে বলতে লজ্জা পায়। তাই জেনে নিন মেয়েরা কখন যৌন মিলনের জন্য পাগল হয়ে ওঠে


  • ১. মেয়েদের যৌন চাহিদা ছেলেদের ৮ ভাগের এক ভাগ। কিশোরী এবং টিনএজার মেয়েদের যৌন ইচ্ছা সবচেয়ে বেশী।     ১৮ বছরের পর থেকে মেয়েদের যৌন চাহিদা কমতে থাকে, ৩০ এর পরে ভালই কমে যায়।
  • ২. ২৫ এর উর্দ্ধ মেয়েরা স্বামীর প্রয়োজনে যৌনকর্ম করে ঠিকই কিন্তু একজন মেয়ে মাসের পর মাস যৌনকর্ম না করে থাকতে পারে কোন সমস্যা ছাড়া।
  • ৩. মেয়েরা রোমান্টিক কাজকর্ম যৌনকর্ম চেয়ে অনেক বেশী পছন্দ করে।বেশীর ভাগ মেয়ে গল্পগুজব হৈ হুল্লোর করে যৌনকর্মর চেয়ে বেশী মজা পায়।
  • ৪. মেয়েরা অর্গ্যাজম করে ভগাংকুরের মাধ্যমে, মেয়েদের অর্গ্যাজমে কোন বীর্য বের হয় না। তবে পেটে প্রস্রাব থাকলে উত্তেজনায় বের হয়ে যেতে পারে মেয়েদের বীর্যপাত বলে কিছু নেই। কেউ যদি দাবী করে তাহলে সে মিথ্যা বলছে।
  • ৫. ভগাংকুরের মাধ্যমে অর্গ্যাজমের জন্য সেক্সের কোন দরকার নেই।
  • ৬. লম্বা পেনিসের চেয়ে মোটা পেনিসে মজাবেশী। লম্বা পেনিসে বেশীরভাগ মেয়ে ব্যাথা পায়।
  • ৭. মেয়েদের যোনির সামান্য ভেতরেই খাজ কাটা গ্রুভ থাকে, পেনিসের নাড়াচাড়ায় ঐসব খাজ থেকে মজা তৈরী হয়। এজন্য বড় পেনিসের দরকার হয় না।বাচ্চা ছেলের পেনিসও এই মজা দিতে পারে।অনেক ছেলে কিংবা মেয়েরা চায় বিপরীত লিংঙ্গের মানুষটি তার সঙ্গে মিলিত হোক।

ছেলেদেরচেয়ে মেয়েদের সেক্স বেশি কি কারণে জেনে নিন

Edit Posted by with No comments
প্রথমে আমার সালাম নেবেন । আশা করি ভালো আছেন । কারণ http://realvalobasa.blogspot.com/ এর সাথে থাকলে সবাই ভালো থাকে । আর আপনাদের দোয়ায় আমি ও ভালো আছি । তাই আজ নিয়ে এলাম আপনাদের জন্য আরেক টা নতুন টিপস ।মূলত ছেলেদের চেয়ে মেয়েদেরকাছে সেক্স অনেক গভীরআবেদনের এবং আবেগময় বিষয়। এরপেছনের কারণ উদ্ভাবনের চেষ্টাকরেছেন গবেষকরা।সম্পর্কের বাঁধননরের সঙ্গে নারীর সম্পর্কের নানাস্তর রয়েছে। সম্পর্কের দীর্ঘসূত্রিতানির্ভর করে তাদের মধ্যকার নানাআবেগীয় লেনদেনের ওপর।
নারীতার সঙ্গীর প্রতি চরমভাবে দুর্বলহয়ে তাকে নিজের জীবনের অংশকরতে যৌনতায় লিপ্ত হয়। নিজেরকামনা বাসনা এবং যাবতীয়সবকিছু নারী উজাড় করে দেয়সঙ্গীর কাছে। কিন্তু নতুন পুরুষেরকাছে নানা দ্বিধা-দ্বন্দ্বেথাকেন নারীরা। তাই একেবারেআপন করে নিতেই নারীরা সঙ্গমকরেন।সম্পর্ক বিষয়ক সুসান কুলিয়াম বললেন,পশ্চিমে তত্ত্বীয়ভাবে যেকোনোনারী যেকোনো পুরুষের সঙ্গেসেক্স করতে পারেন। অনেকে তাকরেন। কিন্তু আমরা এখনোজানিনা এই নারীদের কীদৃষ্টিভঙ্গীতে দেখা উচিত।নারীদের মধ্যে যৌন উত্তেজনারয়েছে, তবে অতিমাত্রায় নয়। যাররয়েছে তিনি মানসিকভাবেঅসুস্থ। তবে একজন পুরুষকেভালোবেসে তার সঙ্গে জুটিগড়ার ক্ষেত্রে যৌনতা উপভোগ্যহয়ে ওঠে নারীর কাছে।মানসিক সুখনারীদের যৌনতার ব্যাপারে যদিসমাজ অনিশ্চিত থাকে, তবেনারীরা কিভাবে নিজেদেরনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে নিরাপদবোধ করবে? বহু মন্তব্য নারীদেরযৌন আকাঙ্খাকে ভিন্ন দিকেপরিচালিত করে। নারীরা পুরুষদেরশুধুমাত্র আপন করে নিতেই নয়, তারজৈবিক চাহিদার তৃপ্তিকরঅনুভূতিও আশা করেন।‘রিরাইটিং দ্য রুলস’ গ্রন্থের লেখকও সম্পর্ক বিষয়ক থেরাপিস্ট মেগবার্কার বলেন, যৌনতায় নারীরাদারুণ সুখ আশা করেন। কিন্তুবিছানায় পুরুষদের বেশি সতর্কথাকতে হয় তৃপ্তিকর করতে।
 সবাইকে ধন্যবাদ। সুস্থ্য থাকুন,ভালো থাকুন

Thursday, December 8, 2016

নো টেনশন দ্রুত বীর্যপাতের স্প্রে! ১ ঘন্টা সহবাস করুন

Edit Posted by with No comments
আমাদের দেশে শতকরা ৮০% লোক এই সমস্যায় ভুগতেছেন। তার প্রধান কারন পর্ণ আসক্তি, অতিরিক্ত হস্তমৈথুন ও মানসিক দুশ্চিন্তা। বিজ্ঞানীরা গবেষনা করে এর নানান যুগোপোযোগী সমাধান বের করেছেন। তেমনি ১টি সমাধান হল সেক্স ডিলে স্প্রে ব্যাবহার করা। যা মিলনের ১৫-২০ মিনিট আগে পেনিসের মাথায় ২ বার স্প্রে করে ৪০-৬০ মিনিট পর্যন্ত সহবাস করতে পারবেন। বাজারে অনেক ধরনের স্প্রে পাওয়া যায়। এদের মধ্যে জার্মানীর স্প্রে গুলো বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এর কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। এটি কোন ঔষধ নয় শুধুমাত্র বাহ্যিক ব্যাবহারের জন্য।

স্প্রে এর কার্যকারিতা:
১. পেনিসের সেনসিটিভিটি কমানো
২. আপনাকে Long Time Lasting এ সহায়তা করবে
৩. সহবাসের সময় আপনার Confidence বাড়িয়ে তুলবে
৪. সহবাসকে করবে আনন্দময়
৫. ১টি স্প্রে ২০০ বার এর উপর ব্যাবহার করা যায়। (৪-৬ মাস)
৬. সহবাসে সর্বোচ্চ ৫ ঘন্টা Lasting করতে পারে!

যে মেয়েটি নিজের বাল্যবিয়ে ঠেকিয়ে দিয়েছিল

Edit Posted by with No comments
 আসসালামু আলাইকুম বন্ধু গণ আশা করি আপনারা আল্লাহ্‌র রহমতে ভালই আছেন। আবারো আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি নতুন একটি টিউন নিয়ে।আশা করছি আপনাদের ভাল লাগবে    কোন ভুল হলে ছোট ভাই হিসাবে ক্ষমা করবেন
বাংলাদেশে ঝালকাঠি জেলার স্কুল ছাত্রী শারমিন আকতার নিজের বাল্যবিয়ে ঠেকিয়ে আলোচনায় এসেছেন।
বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাঁর মা তাঁকে পাত্রের সাথে বেশ কিছুদিন একটি কক্ষে আটকে রেখে নির্যাতন চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে।এই বন্দী অবস্থা থেকে পালিয়ে শারমিন আকতার মায়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। শারমিন
 আকতার ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। তাঁর পিতা সৌদিপ্রবাসী। নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় পনেরো বছর বয়সে তাঁর মা তাঁকে বিয়ে দেয়ার আয়োজন করেছিলো। স্কুলের বন্ধু,সাংবাদিক এবং থানা পুলিশের সহায়তা নিয়ে শারমিন আকতার মায়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন। শারমিন আকতার বলেছেন, “আমি বিয়ের জন্য উপযুক্ত বয়সে ছিলাম না। এই কিশোরী বয়সে একজন বয়স্ক লোকের সাথে আমার সংসার করা সম্ভব ছিল না। তখন আমাকে আটকিয়ে রেখে শারীরিক এবং মানসিকভাবে নির্যাতন করা হচ্ছিল। কিন্তু আমি এই পরিস্থিতি থেকে আমার জীবনকে বাঁচাতে মায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলাম।”সেজন্য তাঁকে নানা প্রতিকুলতা মোকাবেলা করতে হয়েছে। এখনও পরিবারের ভিতর থেকেই চাপের মধ্যে রয়েছেন।কিন্তু তিনি দমে যাননি। এই কিশোরীর দায়ের করা মামলায় তাঁর মা এবং কথিত পাত্রকে পুলিশ গ্রেফতার করে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলার তদন্ত এখন চলছে।এমন ঘটনার প্রেক্ষাপটে নারী অধিকার নিয়ে আন্দোলনকারীরা এবং বিভিন্ন সংগঠন তাঁর সাথে যোগযোগ করে।শারমিন আকতার এখন সেকেন্ডারি স্কুল সার্টিফিকেট বা এসএসসি পরিক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।তিনি আইন নিয়ে পড়াশুনা করে বাল্য বিয়ে বন্ধের জন্য এবং অসহায় নারীদের জন্য কাজ করতে চান।
 ভালো থাকবেন সবাই

Wednesday, December 7, 2016

মেয়েরা কখন যৌন উত্তেজনায় পাগল হয়ে ওঠে জেনে রাখি

Edit Posted by with 1 comment
আসসালামু আলাইকুম কেমন আছেন সবাই ? আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভালই আছেন। সবাইকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আমার আজকের টিউন। আমার আজকের টিউনের বিষয়বস্তু হচ্ছেঃ উপরের Titile দেখে অনেকই বুঝতে পারছেন,
  1. মেয়েদের যৌন চাহিদা ছেলেদের প্রায় চার ভাগের এক ভাগ মাত্র। কিশোরী এবং টিনেজার মেয়েদের এই যৌন বাসনা সবচেয়ে বেশী। ১৮-৩০ বছরে মধ্যে মেয়েদের যৌন চাহিদা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। এবং ৩০ এর পর অনেকটাই কমে যায়৷
  2. স্বামীর প্রয়োজনে ২৫ এর উর্দ্ধে…মেয়েরা যৌনকর্ম করে ঠিকই কিন্তু একজন মেয়ে কয়েক মাস যৌনকর্ম না করেও অনায়েসে থাকতে পারে ।
  3. মেয়েরা যৌনকর্মের চেয়ে রোমান্টিক কাজকর্ম অনেক বেশী পছন্দ করে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় মেয়েরা গল্পগুজব হৈ হুল্লোর করে যৌনকর্মর চেয়ে বেশী মজা উপভোগ করে।
  4. আর যখন মেয়েরা অর্গ্যাজম করে ভগাংকুরের মাধ্যমে, তখন কিন্তু মেয়েদের অর্গ্যাজমে কোন বীর্য বের হয় না। তবে পেটে যদি প্রস্রাব থাকে তাহলে যৌন উত্তেজনায় বের হয়ে যেতে পারে৷ অর্গ্যাজমের জন্য সেক্সের কোন দরকার নেই।
  5. মেয়েদের যোনিতে যখনই পেনিস প্রবেশ করে ঠিক তখনই মেয়েরা অসাধারণ সুখের অনুভুতি পায় ঠিকই কিন্তু অর্গ্যাজম হওয়ার সম্ভাবনা ০.৮০% এর চেয়েও কম।
  6. মোটা পেনিসে মেয়েরা বেশি মজা পায়। আর লম্বা পেনিসে বেশীরভাগ মেয়ে ব্যাথা পায়। সে জন্য তারা মোটা শক্তিশালী পেনিস পছন্দ করে।
  7. পেনিস যখনই মেয়েদের যোনির ভেতরে প্রবেশ করে। যোনির সামান্য ভেতরেই ছোট ছোট খাজ কাটা গ্রুভ থাকে, যা পেনিসের নাড়াচাড়ায় ঐসব খাজ থেকে মজা তৈরী হয়। এজন্য বড় পেনিসের দরকার হয় না৷

স্বামীকে সহবাসের আগে যে কাজটি করতেই হবে

Edit Posted by with No comments
আসসালামু আলাইকুম আশা করি ভালো আছেন । কারণ http://realvalobasa.blogspot.com/ এর সাথে থাকলে সবাই ভালো থাকে । আর আপনাদের দোয়ায় আমি ও ভালো আছি । তাই আজ নিয়ে এলাম আপনাদের জন্য আরেক টা নতুন টিপস নিয়ে হাজির হলাম ।
সংসার গড়ে ওঠে নারী পুরুষের ভালোবাসাকে উপজীব্য করে। স্বামী হওয়া খুব সহজ, তিনবার কবুল বললেই তা হওয়া যায়। কিন্তু আদর্শ স্বামী হওয়া অনেক কঠিন। সবার মধ্যে আদর্শ স্বামী হওয়ার সে প্রবণতা বা ইচ্ছাও লক্ষ্য করা যায় না। সম্পূর্ণরুপে বিবস্ত্র মূলত লজ্জাশীলতার পরিচয়। শরীয়তে তা হারাম নয়। ঘর বা রুম বন্ধ থাকলে এবং সেখানে স্বামী-স্ত্রী ছাড়া অন্য কেউ না থাকলে পর্দার দরকার নাই। স্বামী-স্ত্রী একে অন্যের লেবাস বা পোশাক। উভয়ে উভয়ের সব কিছু দেখতে পারে। মহান আল্লাহ বলেছেন, যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে। তবে তাদের স্ত্রী ও মালিকানাভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্রে সংযত না রাখলে তারা তিরস্কৃত হবে না। অতঃপর কেউ এদেরকে ছাড়া অন্যকে কামনা করলে তারা সীমালংঘনকারী হবে। কিন্তু সংসার কোন ছেলেখেলা নয়। এখানে একজন স্বামীকে অবশ্যই ছোট বড় সব বিষয়গুলোর দিকেই নজর রাখতে হবে। ধীরে ধীরে চেষ্টার পরেই হওয়া যায় আদর্শ স্বামী, প্রকৃত বন্ধু। মনে রাখবেন প্রেম শুধু শরীরেই বাস করে না। প্রেমের ক্ষেত্রে মন শরীর দুটোই লাগে। মন থেকে আপনার স্ত্রীকে ভালবাসুন। তার কানের কাছে মুখ নিয়ে বারবার ভালোবাসার কথাগুলো বলুন। তার প্রশংসা করুন। তাকে সময় দিন। তাকে নিয়ে দূরে কোথাও ঘুরতে যান। তার সাথে গল্প করুন।
ধন্যবাদ পোস্টটি পড়ার জন্য।

Monday, November 21, 2016

(অন্যরকম ভালবাসা) অনুতপ্ত--,

Edit Posted by with No comments
মোবাইলটা বেজেই চলেছে । একবার দুইবার
তিনবার… । অপরিচিত কোন নম্বর থেকে ফোন
এলে নিশীতা ধরেনা । বছর তিনেক
হলো অপরিচিত নম্বরের কল রিসিভ করা বন্ধ
করে দিয়েছে । হাতেগোনা গুটিকয়েক
জানাশুনা মানুষের
সঙ্গে দরকারি কথা ছাড়া অন্যকোন লোকের
সাথে ফোনে কথা বলতে চায়না নিশীতা ।
যথাসম্ভব এড়িয়ে চলে । স্বপ্নে বিভোর সেই
এলোমেলো দিনগুলো এখন আর নেই নিশীতার ।
সেসব তিন বছর আগের কথা । অতীত ।

নিশীতা এখন অনেক কিছুই বোঝে । অনেক
শিখেছে । অনেক কিছুই দেখেছে । সমাজ-
সংসার, আবেগ, প্রেম-ভালোবাসা,পুরুষ মানুষ
সবকিছুই । এখন আর কাউকেই বিশ্বাস
করতে পারেনা । এমন কি মাঝে মধ্যে নিজেকেও
না ! এজন্য নিজেকে সবসময় বড্ড
বেশী সাবধানে রাখতে চায় । নতুন কোন ভুলের
দরজায় আর পা দিতে চায় না সে ।

ফোনটা এখনও বাজছে । আননোন নম্বর । এভাবেই
একদিন পরিচয় হয়েছিলো রাজিবের সঙ্গে ।
কোটিপতি বাবার পুত্র ! তারপরের একবছর স্বপ্নের
মতো কেটেছে নিশীতার । বান্ধবীরা ওকে খুব
হিংসা করতো । রাজিব প্রায় প্রতিদিনই
প্রাইভেটকার নিয়ে নিশীতার হলের
সামনে আসতো । নিশীতা যখন নামী-
দামী ড্রেস ও কসমেটিকস পরে বান্ধবীদের
সামনে দিয়ে বাজিবের হাত ধরে প্রাইভেট
কারে চড়তো, তখন বান্ধবীদের
আঁড়চোখে তাকিয়ে থাকা দেখে নিজেকে রাজপরিবারের
একজন বলে ভাবতো । পাড়াশুনা চরমভাবে ব্যহত
হচ্ছিল নিশীতার । দুটি সেমিস্টারের গ্রেড
পয়েন্টও ফল্ট করলো । ফারুক
মাঝে মধ্যে নিশীতাকে বোঝানোর
চেষ্টা করতো । ফারুক ছিলো নিশীতার দূর-
সম্পর্কের চাচাতো ভাই । ছোটবেলা থেকেই
নিশীতাকে চেনে । রাজিবের সাথে নিশীতার
সম্পর্কের ব্যাপারটা ফারুক না জানলেও
সেমিস্টারের গ্রেড পয়েন্ট ফল্ট করার খবর
শুনে বুঝতে পেরেছিলো ভেতরে ভতরে কিছু
একটা হচ্ছে । আরো নিশ্চিত হলো, যখন
নিশীতার খারাপ রেজাল্টের
ব্যাপারে কথা বলতে গিয়ে তাকে চরম
ভাবে অপমানিত হতে হলো ।

অল্প সময়ের মধ্যে রাজিব ও নিশীতা খুব দ্রুত
প্রিয়জন থেকে আপনজন হতে থাকলো । আজ
চায়নিজ রেস্টূরেন্ট তো কাল নন্দন পার্ক, আবার
পরশু হয়ত বোটানিক্যাল ! শারীরিক ম্পর্শের
আনন্দগুলো ওদের কাছে একেবারে সাধারণ ব্যপার
হয়ে যেতে থাললো । এসব
ক্ষেত্রে নিশীতা কিছুই বলতোনা ।
হয়তো প্রাচুর্যের হাতছানির কারনে "না"
বলতে পারতোনা । বরং তার নিজেরও শরীরের এই
অচেনা অনুভুতিগুলোকে উপভোগ
করতে ভালো লাগতো । এভাবে যৌবনের
চাহিদাগুলো ইলাস্টিকের
মতো বাড়তে বাড়তে একদিন যখন রাজিব
একেবারে পাগলা ঘোড়ার মতো আচরন শুরু করলো,
নিশীতা সেদিন
নিজেকে রক্ষা করতে পারেনি । এরপর
নিশীতা যখন বিয়ের কথা ভাবার জন্য
রাজিবকে বললো, রাজিব
বিনা প্রতিবাদে তা মেনে নিয়ে বললো,
‘বিয়ে নিয়ে টেনশন করার দরকার নেই । আব্বা-
আম্মাকে সব বলেছি । এক বছরের মধ্যেই
আমরা বিয়ে করবো ।’

তারপর ! না, তারপরের ঘটনাগুলো নিশীতা আর
মনে করতে চায়না । ভুলে যেতে চায় । কিন্তু
মানুষ চাইলেই কি সবকিছু ভুলে যেতে পারে ?
নিশীতাও কি ভুলে যেতে পারবে,
কিভাবে ফারুক ভাই সেদিন তাকে অন্ধকার মৃত্যুর
দরজা থেকে আবার আলোতে এনে দাঁড়
করিয়ে দিয়েছিলো ! ফারুক ভাইয়ের
কথা মনে হতেই শ্রদ্ধায় মাথাটা নুয়ে আসতে চায়
নিশীতার । সব সময়ই অবহেলা করেছে তাকে,
অপমানও করেছে । অথচ জীবনের সংকটময়
মুহূর্তে একমাত্র সেই এগিয়ে এসেছিলো । কোন
কৈফিয়াত চায়নি ।

নিশীতা যখন স্বপ্নের
জগতে উড়ে বেড়াচ্ছিলো তখনই হটাৎ একদিন
বুঝতে পারলো তার শরীরের অভ্যন্তরে নতুন
একটা অস্তিত্বের জন্ম হয়ে গেছে ।
দিশেহারা হয়ে পড়লো নিশীতা ।

ইতিমধ্যে খবরটা সমস্ত ভার্সিটিতেও
ছড়িয়ে পড়লো । বান্ধবীরাও তাকে প্রচন্ড
ঘৃনা করতে শুরু করলো । কেউ তার
পাশে দাঁড়ালোনা । বরং সবাই
তাকে কুৎসিতভাবে ইংগিত করতে থাকলো ।
রাজিবকে তার প্রেগনেন্সির
কথা জানিয়ে নিশীতা যখন দ্রুত বিয়ের
ব্যবস্থা করতে বললো, রাজিব কোন উত্তর
না দিয়ে শুধু বললো, ‘ভেবে দেখি কি করা যায় ।’

এরপর থেকেই রাজিব সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ
করে দিল । নিশীতা রাজিবের বাসায় খোঁজ
নিয়ে জানতে পারলো, ফ্যামিলি থেকে অনেক
আগেই তার বিয়ে ঠিক করে রেখেছে । মানুষের
সামনে মুখ দেখানোর মতো সব পথ বন্ধ হয়ে গেল
নিশীতার । সে তখন আত্নহত্যার
কথা চিন্তা করতে লাগলো ।
ফারুকের কানে যখন ঘটনাটা পৌচ্ছালো তখন এক
মুহূর্ত দেরি না করে সে নিশীতার
পাশে এসে দাঁড়াল ।
নিশীতা বলতে সংকোচবোধ করলেও ফারুক
জোরপূর্বক বিস্তারিত সব ঘটনা শুনলো । দ্রুত ওর
অ্যাবরশনের ব্যবস্থা করলো এবং পরবর্তী এক মাস
ছায়ার মতো সর্বক্ষণ ওর সঙ্গে থাকলো ।

হাজারটা কথা বলে বুঝিয়ে বিভিন্ন প্রকার
সাহায্য করে ওকে আবার স্বাভাবিক
জীবনে ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা করলো । এক সময়
নিশীতা যখন অনেকটা স্বাভাবিক হলো, ফারুক
ধীরে ধীরে আবার নিশীতার কাছ
থেকে আড়ালে চলে গেল । তারপর থেকে, একবার
অন্তত ক্ষমা চাওয়ার
জন্যে নিশীতা ফারুককে আনেক খুঁজেছে, কিন্তু
পায়নি ।

( অন্যরকম ভালবাসা )স্বপ্ন, ঘুড়ি--,

Edit Posted by with No comments
রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে আছি । চোখ দুইটা বড্ড
জ্বালা করছে। একটাও খালি রিকশা নাই।
মনে মনে কল্পনা করি ঠাডা পড়ছে রিকশার উপর।

হেসে ফেলি। এই রে পাশে কখন
অধরা এসে দাঁড়িয়েছে খেয়াল করিনি। এই
মেয়ের সমস্যা কি? একটু আগে খোঁজ নিয়ে গেছে,
এখন আবার ! দুষ্টু বুদ্ধি মাথার ভিতর
তিড়িং বিড়িং লাফ দিতে থাকে! পাশ
থেকে অধরার কাচ ভাঙ্গা হাসির শব্দ
শুনতে পাই। মেয়েটা আবার শুরু করেছে। এবার আর
থামানো যাবে না, হাসতেই থাকবে।

উল্টো ঘুরে দৌড় দেয়ার চিন্তা অনেক কষ্টে দমন
করলাম। কিন্তু অধরার পরের কথা শুনে ঢোঁক
গিলেই ঝেঁড়ে দৌড় দিলাম উল্টা দিকে। কিন্তু
হায়, এখানেও কবি উলঙ্গ!
জামা ধরে ফেলেছে অধরা! আর জামার বোতাম
টান দিলেই খুঁলে যায়। পট পট করে সব বোতাম
খুলে গেছে। হায় খোদা! ধরণী এখনও
দ্বিধা হচ্ছে না কেন বুঝলাম না। আমেরিকায়
গিয়া উঠতাম, বহুত শখ আমেরিকায় যাওয়ার।
খুলনায় এত গুলা ম্যানহোল কিন্তু
আশে পাশে তাকিয়ে একটাও দেখতে পেলাম না।
হায়, ঈশ্বার নীরব, কবি উলঙ্গ! কি করব
ভাবতে ভাবতেই আবার অধরার কাঁচ
ভাঙ্গা হাসির শব্দ। নাহ,
মেয়েটাকে শায়েস্তা করা দরকার।
গম্ভীরভাবে পিছন ফিরলাম। কিন্তু এ কি!
মেয়েটার মুখে শ্রাবনের মেঘ জমে গেছে।
যে কোন সময় দখিনা জানলা খুলে ঝড় আসবে।

তাড়াতাড়ি বলা শুরু
করলাম-'শোনো আমি একটু.......'
মাঝপথে থামিয়ে দেয় অধরা। 'আজ তোমার
জন্মদিন সুমন'। চমকে উঠি আমি। মনে পড়ে যায়
সেই ছোট্ট বেলার কথা
খুব ছোট বেলায় বাবা-মা জন্মদিনে কোন উপহার
দেয়নি বলে খুব অভিমান করেছিলাম। কিন্তু
কাঁদতে কাঁদতে যখন ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে যাই,
উঠে দেখি আমার রুমের টেবিলের
পুরোটা জুড়ে এক বিশাল কেক! আজ বাবা-
মা দুজনেই গ্রামে থাকেন।
বাবা ইদানিং ভালো চোখে দেখতে পাননা।
মা প্রচন্ড অসুস্থ। ছোট ভাইটার লেখা পড়ার খরচ
আমাকেই দেখতে হয়।
আবার চমকে উঠি অধরার কথায়-'শুভ জন্মদিন সুমন'
তোতলামি এসে যায় ওর মুখের দিকে তাকিয়ে।
অপ্সরীর মত লাগছে ওকে।
হঠাৎ ঠাস করে চড়। -'তুমি কি কিছু বোঝ না?
আমার সাথে ঠিক মতো কথা বলনা কেন?
আমি কি অন্যায় করেছি? বল সুমন?'
আমি আরো অবাক! মাঝখান
দিয়ে ব্যাগড়া বাঁধাল চোখ দুটো। এতক্ষন অনেক
কষ্টে পানি আটকে রেখেছিলাম। এবার টপ টপ
করে পড়া শুরু হল।

কিছুক্ষন পর আবিষ্কার করলাম আমি বটগাছটার
নিচে বসে আছি। ভার্সিটি লাইফে আমার
সবচেয়ে পছন্দের জায়গা। মন খারাপ হলেই
এখানে চলে আসি। চুপচাপ কিছুক্ষন বসে থাকি।
ছোট্ট একটা ছেলে থাকে এখানে।
সারা গায়ে ময়লা লেগে থাকে। কিন্তু ওর পবিত্র
হাসিটা দেখলেই মন ভালো হয়ে যায়।
আমাকে দেখলেই দাঁত কেলিয়ে হেসে বলে 'কেমন
আছো ভাইয়্যা?' পিচ্চিটার মুখে ভাইয়্যা ডাক
শুনলেই মন ভালো হয়ে যায়।

-ঐ এত কি ভাবো?
*কিছু না।
-চোখে পানি কেনো?
*জানিনাহ, এমনি।
অধরা ওর ওড়না দিয়ে চোখ মুছে দেয়।
-এই দুষ্টু ছেলে, কি দেখো অমন করে?
*আ-আমি কিছু দেখিনা
-হিহিহি.....
*হাসো ক্যানো?
-অ্যাই তুমি নিজের যত্ন নাওনা কেন?
*কই?
-তোমার মুখ ব্রনে ভরে গেছে
*ও আচ্ছা
-তুমি জান তোমার চেহারা কত সুন্দর? তুমি কত
হ্যান্ডসাম?

*না জানতাম না। এখন জানলাম।
-ফাইজলামি করবা না; তোমার ব্রনের জন্যেই শুধু
খারাপ দেখায়
*হুমমম
-কি হল
*কই কিছুনা তো?
-তুমি ঠিকমতো মুখের যত্ন নেবে
*আচ্ছা
-আর বেশি বেশি পানি খাবে
*ঠিক আছে
-ফেসওয়াশ দিয়ে নিয়মিত মুখ ধুবে
*হুমম
-আর আর--
*কি?
-নাহ কিছু না। জান কত মেয়ে আমার
দিকে হিংসার চোখে তাকায়?
*নাহ জানতাম না। তবে এখন জানি।
-উফফ সব কিছুতেই তোমার ফাজলামি।
*আচ্ছা যাও, আর ফাজলামি করব না। এখন
কারণটা বল।
-কারন তুমি
*মানে কি?
-মানে তুমি অনেক হ্যান্ডসাম; আর যখন
তুমি আমার সাথে ঘোর তখন তারা হিংসায়
ছাই হয়ে যায়
*তাই নাকি?
-হ্যাঁ
*তোমার কেমন লাগে?
-কি কেমন লাগে?
*এই যে ওরা জেলাস ফিল করে?
-আমার অনেক ভাল লাগে।
*ও আচ্ছা।
-তুমি খুশি হওনি?
*না
-কেন?
*জানি না
-মানে?
*বাদ দাও
-আচ্ছা
হঠাৎ মায়ের ফোন আসে। মায়ের ফোন রিসিভ
করতেই বুঝি কিছু একটা হয়েছে।
মা কান্না চেপে বলেন 'বাবা, তুই কবে আসবি?
তুই তাড়াতাড়ি আয় বাবা। তোর আব্বার
শরীরটা ভালো না।' আমি আসব বলে ফোন
রেখে দেই। বুঝতে পারি, বাবার প্রেশার এর
সমস্যা আবার বেড়েছে।
অধরার কাছ থেকে রাস্তায় নেমে যাই।
পকেটে শুধু একটা সিগারেটের বিচ্ছিন্ন অংশ
আছে। মেসে হেঁটেই যেতে হবে।
মেসে ফিরে আবিষ্কার করি বুয়া আসেনি।

রান্না ঘরে গিয়ে আরেকবার অবাক হই,
মেসে চাল আনা নেই। সকাল বেলাও
দেখেছিলাম চাল নেই। বিবর্ণ
সিগারেটটা নিয়ে ছাদে উঠে যাই।
লাইটারটা জ্বেলে সিগারেটটা জ্বালিয়ে আকাশে
ধোঁয়া ছাড়ি।
হঠাৎ আকাশে একটা প্লেন দেখতে পাই। খুব কাছ
দিয়ে উড়ে যাচ্ছে। ছোটবেলার
স্মৃতিগুলা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে ধীরপায়ে।

ছোট বেলায় বাবার সাথে যখন প্রায়ই
ঘুড়ি উড়াতাম তখন বাবা বলতেন 'বাজান, ঐ
ঘুড়ি চালাইতে পারবা তো?' আমি বলতাম-পারমু
বাজান। যখন মাঝে মাঝে আকাশে প্লেন
দেখা যেত বাবা বলতেন 'বাজান, ঐ
ঘুড়িটা আকাশে চালাইতে পারবা?'
আমি বলতাম-হ বাজান, পারমু। বাবার চোখ
আনন্দে জ্বল জ্বল করত। আরো একটু যখন বড় হই,
বাবা আকাশে প্লেন দেখলেই বাচ্চা মানুষের মত
বলে উঠত , 'বাজান, আমার
রাইজকইন্যারে তুমি ঘুড়ি চালায়ে আনতে পারবা তো?'
আমি জবাব দিতাম 'হ বাজান, আমি পারমু।'
ভাবতে ভাবতেই চোখে পানি এসে যায়। হাতের
সিগারেটটা ফেলে উঠে দাঁড়াই।
মোবাইলটা বেজে ওঠে পকেটে। বের
করে দেখি আননোন নাম্বার। রিসিভ করলাম
কিছুটা বিরক্তভাবে। মেঘলার ফোন। অধরার
ছোট বোন। ফোন ধরেই মেয়েটা কেঁদে দিল।

'ভাইয়্যা, আপনি তাড়াতাড়ি সেন্ট্রাল
হসপিটালে আসেন। আপু খুব অসুস্থ। ভাইয়্যা,
প্লিজ আপনি তাড়াতাড়ি আসেন।'
ফোন রেখেই দৌড়ে রুম
থেকে জামাটা পড়ে ছুটলাম হাসপাতালে।
কাছেই ছিল। পৌছে গেলাম দু মিনিটেই। অধরার
ফ্যামিলির সবাইকে দেখলাম বাইরে দাঁড়িয়ে।
বুঝে গেলাম যা বোঝার।
আস্তে করে ঘরে ঢুকলাম। চোখ বুজে আছে আমার
অপ্সরী। মুখের গোলাপী আভাটাও মলীন হয়নি।
হাতদুটো জোর করে মুঠিতে চেপে ধরলাম।

আস্তে করে চোখ মেলে তাকাল অধরা।
মুখে একটুকরো হাসি ফুটে উঠলো। একবার চোখ বন্ধ
করে আবার চোখ খুলে বলল-'নিজের যত্ন
নিয়ো সুমন। আর লাল
টুকটুকে একটা মেয়েকে বিয়ে করো। তোমাদের খুব
সুন্দর একটা মেয়ে হবে। ওর নাম রেখো অধরা।
ওকে আগলে রেখো সুমন। আর আর আমায়
ভুলে যেয়ো। অনেক অনেক ভালো থেকো সুমন।'

অধরার চোখ বেয়ে এক ফোঁটা জল
গড়িয়ে বালিশে পড়ে। কিন্তু যে আমার চোখে
সবসময় চোখে পানি জমে থাকতো, সেই আমার
চোখে কোন পানি জমে না। মেঘের
ঘনঘটা কোথাও পাই না। রুম থেকে বের
হয়ে আসি আমি। খুব নির্লিপ্ত
ভাবে মেসে ফিরি। জামা কাপড় গুছিয়ে নেই।
এই শহুরে যান্ত্রিকতায় আর নয় একটি নিশ্বাসও।
গ্রামের পথে পালিয়ে আসি। চোখ আবার
জ্বালা করে ওঠে। বাষ্প জমা হয়। পকেটে হাত
দিয়ে কিছুটা হোঁচট খাই। পকেটে রুমালটা নেই।
মনে পড়ে সেই ছোট্ট স্মৃতিগুলো। অধরাই রোজ
বাইরে বেরোবার সময় মনে করিয়ে দিত রুমাল
সাথে নিতে। আর কোনদিন ভুল
করে না নিয়ে গেলে নিজের রুমালটাই
দিয়ে দিত। রুমাল দিয়ে দেয়ার পর ওর প্রচন্ড কষ্ট
হত। তারপরও আমাকে কিছু বলত না। উল্টো তখন
ছায়ার মত লেগে থাকত আমার চোখ মুছে দেয়ার
জন্য।
পাখির ডাকে বাস্তবে ফিরে আসি।
বাড়িতে পৌছেই ছুটে যাই আমার বাবার কাছে।
আমার স্বপ্ন দেখানো প্রিয় বাবা। অসুস্থ
হয়ে শয্যাশয়ী ।

*'বাবা, আমি তোমার ঘুড়িতে করে তোমার
রাজকন্যাকে আনতে পারিনি।
-বাজান কি হইছে তোর?
*বাবা, ঘুড়ির সুতো কেটে তোমার
রাজকন্যা অনেক দুরে চলে গেছে বাবা। অনেক
বেশি দুরে
-শক্ত হ বাজান। তোকে আরো শক্ত হতে হবে।

তোর মা দেখ, তোর দেশটাকে দেখ,
কাঁনতেছে। এই দ্যাশটা তো তোর জন্য কত
ঘুড়ি দিল। বাজান, তুই পারবি না এই দেশটার
জন্য তোর একটা ঘুড়ি দিতে? তোর হাতে এখনও
অনেক ঘুড়ি আছে বাজান। এই দেশটার জন্য হলেও
তোর ঘুড়িগুলা কাটতে দিসনা বাপজান।'
বাবার ঘর থেকে বের হয়ে আসি। আমার
পুরোনো রুমটার তালা খোলা। রুমের
মাঝখানে এসে দাঁড়িয়ে অবাক হই আমার
ছোটবেলার ঘুড়িটা দেখে....
আমার প্রিয় ঘুড়িটা নিয়ে সেই প্রিয় খেলার
মাঠটাতে চলে আসি। আস্তে আস্তে বাতাসের
বেগ বাড়তে থাকে। নাটাই-
টা আস্তে আস্তে ছাড়ি। দুর
থেকে আরো দুরে চলে যায় ঘুড়ি। নাটাইয়ের
সূতোও একসময় শেষ হয়ে যায়। তবুও মন্ত্রমুগ্ধের মত
তাকিয়ে থাকি দূর আকাশের দিকে, ঘুড়িটার
দিকে। অনেকগুলো ঘুড়ি অপেক্ষা করছে আমার
জন্যে। কিভাবে, কিভাবে এদের
একা ফেলে চলে যাব
আমি??

বৃষ্টি, ভেজা, মন--, অন্যরকম ভালবাসা

Edit Posted by with No comments
অঝোর ধারায় আকাশটা কেঁদেই যাচ্ছে। চুপচাপ
জানালার পাশে বসে আছে নিশিতা। ডেস্কের
উপর অফিসের ফাইল-পত্রের ছড়াছড়ি। অনেক
কাজ পড়ে আছে। কিন্তু কিছুতেই কাজে মন
বসাতে পারছেনা ও। না চাইতেও বারবার
চোখটা চলে যাচ্ছে মোবাইলের দিকে। কিন্তু
না আসছে কোন কল, না আসছে কোন মেসেজ।

কি করে ভুলে যেতে পারলো ইমন। আজ ওদের
ফার্স্ট ম্যারিজ ডে। কাল রাত থেকে ও ইমনের
একটা কলের জন্য অপেক্ষা করছে। অথচ ইমন
কিনা ভুলেই গেলো। দুদিন আগে ইমন
জরুরী কাজে ঢাকার বাইরে গেছে। হয়তো প্রচন্ড
কাজের চাপ ওখানে। তাই বলে আজকের দিনটার
কথা ভুলেই যাবে। ও তো খুব বেশি কিছু চায়নি।

শুধু একটা ফোন, সেটা কি খুব বেশি কিছু। প্রচন্ড
কান্না পাচ্ছে নিশিতার। এজন্যই ও ডাক্তার
প্রজাতি একদম সহ্য করতে পারে না। সারাদিন
শুধু কাজ আর কাজ। কাজ আর পড়ালেখার বাইরেও
যে একটা জীবন থাকতে পারে, সেটা তাদের
জ্ঞানের পরিধির বাইরে। কিন্তু ওর কপালে সেই
প্রজাতির-ই একজন জুটলো। সবই কপাল।

ভার্সিটি লাইফে কপোত-কপোতীদের
দেখে নিশিতাও স্বপ্ন দেখেছিল হয়তো ওর
জীবনেও একদিন এমন কেউ আসবে যে ওকে অনেক
ভালোবাসবে। অতঃপর তাদের বিয়ে হবে, ছোট্ট
একটা সংসার হবে...ব্লাহ...ব্লাহ...ব্লাহ।
মোটকথা প্রেমের বিয়ের প্রতি ভীষন রকমের
একটা আকর্ষন ছিল নিশিতার। কিন্তু দূর্ভাগ্য
কিংবা সৌভাগ্যবশত তার আর প্রেম
করা হয়ে উঠলো না।

সেদিনের কথা আজও মন আছে নিশিতার। ক্লাস
শেষে ডিপার্টমেন্ট থেকে বের হয়ে দেখে ইমন
দাঁড়িয়ে আছে। নিশিতা এগিয়ে গেলো। ইমন
নিশিতার মায়ের খালাতো বোনের ছেলে।
সম্পর্কে কাজিন হওয়া সত্ত্বেও ইমনের সাথে ওর
তেমন কথা-বার্তা হয় না, তা অবশ্য ইমনের
লাজুক স্বভাবের কারনেই। একেতো ডাক্তার, তার
উপরে ভ্যান্দা টাইপের এই ছেলেটার
সাথে নিশিতাও তাই যেচে কখনো তেমন
কথা বলেনি। কিন্তু এই ভ্যান্দা তার
ডিপার্টমেন্টের
সামনে দাঁড়িয়ে কি করছে সেটা মিলাতে পারছিল
না ও।
- আররে ইমন ভাইয়া যে...হঠাত এদিকে?
কি মনে করে?

- আসলে একটা কাজে এখানে এসেছিলাম।
তাছাড়া আজকে তোমাদের বাসায় যাওয়ার
কথা। এখান থেকেই যেতাম। কিন্তু আম্মু
ফোনে বললো তুমি নাকি ক্যাম্পাসে। তাই
ভাবলাম গন্তব্য যখন একটাই তাহলে একসাথেই
যাই।

- ও। ঠিক আছে। চলো।
সেদিন বাসায় যাওয়ার পথে এমনকি যাওয়ার
পরেও ওদের মধ্যে তেমন কোন কথা হয়নি কিন্তু
সেই সময়টাতে নিশিতার মনে হাজারো প্রশ্নের
ঝড় উঠেছিল। সেই ঝড় থামলো যখন
রাতে নিশিতা ঘুমুতে যাওয়ার যখন ওর
মা এসে ইমনের সাথে ওর বিয়ের প্রসংগ তুললো।
কথাটা শোনামাত্রই ওর মাথায় যেন আকাশ
ভেঙ্গে পড়লো। নিশিতার মা প্রায়ই
দুষ্টুমি করে ওকে বলতো, “ডাক্তার পছন্দ করিস
না তো। দেখবি শেষ পর্যন্ত তোর
কপালে একটা ডাক্তারই জুটবে।“ নিশিতা তখন
হেসে সে কথা উড়িয়ে দিত। কিন্তু
সে কথাগুলো যে এভাবে সত্যি হয়ে যাবে তা ও
কল্পনায়ও কখনো ভাবেনি।
যেহেতু ওর নিজের তেমন কোন পছন্দ নেই, আর ওর
বাবা-মাও অনেক সাধ করে ইমনকে ওর জন্য পছন্দ
করেছে, তাই অগত্যা ওকে রাজি হতে হলো।
দেখতে দেখতে বিয়ের একটা বছর যে কি করে পার
হয়ে গেল নিশিতা এখনো তো ভেবে পায় না।
হসপিটাল, চেম্বার আর রোগী নিয়ে দিনের
বেশিরভাগ সময়ই ইমন ব্যস্ত থাকে। কিন্তু ওই
ব্যস্ততাটুকু ছাড়া গত এক বছরে ইমনের
বিরুদ্ধে অভিযোগ করার মতো আর কিছুই
খুঁজে পায়নি নিশিতা। ভীষন রকম
ভালোবাসতে জানে ভ্যান্দা টাইপের এই
ছেলেটা। তাই কিছুতেই ভেবে পায় না ও,
কি করে ইমন ভুলে গেলো।
হঠাত একটা শব্দে চমকে ওঠে নিশিতা। খেয়াল
হতেই বুঝতে পারে দরজায় কেউ নক করছে।
“ইয়েস, কাম ইন” বলে নিজের
ডেস্কে গিয়ে বসে ও।
- ডিস্টার্ব করলাম?
- তুমি!!!
- হুমম। চলে এলাম।
- কালকেও তো কথা হল। বলোনি তো আসবে!
- বলিনি। ব্যস্ত?
- না। কেন?
- ঘুরতে যাবো।
- এই বৃষ্টির মধ্যে!
- হুমম। কেন? তোমার কি এলার্জি আছে বৃষ্টিতে?
- না, তা হবে কেন? তুমি একটু বসো, আমি হাতের
কাজটা গুছিয়ে নিই।
- ওক্কে। ফাইভ মিনিটস। তুমি কাজ
গুছিয়ে আসো। আমি গাড়িতে আছি।

ইমন বেরিয়ে যেতেই নিজের উপর ভীষন রাগ
উঠে নিশিতার। কি ও! এতোদিনেও
ইমনকে চিনতে পারলো না ও। ছেলেটা শুধুমাত্র
ওর জন্য এতোদূর থেকে ছুটে এসেছে। আর ও কিনা!
আশুলিয়ার রাস্তা ধরে ওদের
গাড়িটা এগিয়ে চলছে। কারো মুখে কোন
কথা নেই। দুজনের মুখেই মিটিমিটি হাসি, যেন
নতুন কোন কপোত-কপোতী একসাথে মেঘের
মাঝে ভাসছে। স্লো ভলিউমে রবীন্দ্র সঙ্গীত
বাজছে। মাঝপথে হঠাত গাড়ি থামায় ইমন।
- কি হলো? এখানে থামালে যে?
- ভীষন ভিজতে মন চাইছে বৃষ্টিতে।
চলো না ভিজি।

বলে গাড়ি থেকে নেমে পড়ে ইমন। কিছুই বলার
সুযোগ দেয় না ওকে।
অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকে নিশিতা।
যে ছেলে বৃষ্টিতে একটু ভিজলে ঠান্ডা জ্বর
বাঁধিয়ে বিশ্রী অবস্থা করে ফেলে বলে বৃষ্টি একদম
সহ্য করতে পারে না, সে আজ শখ
করে বৃষ্টিতে ভিজছে।

গাড়ি থেকে নামতেই একটা হিম শীতল শিহরন
বয়ে যায় ওর শরীরে। ইমনের পাশে গিয়ে দাঁড়ায়
নিশিতা। আলতো করে ওর হাতটা ধরে ইমন।
দুজনেই নদীর জলে বৃষ্টির জল
মিলেমিশে একাকার হয়ে যাওয়ার অপরূপ দৃশ্য
দেখতে থাকে অপলক দৃষ্টিতে।

অন্যরকম ভালবাসা

Edit Posted by with No comments
অন্যরকম ভালবাসা--
মিজান দশম শ্রেণীর ছাত্র । শহরের
একটা স্কুলে লেখাপড়া করে সে। শুধুমাত্র ওর
পড়াশুনার জন্যই পুরো পরিবারের, গ্রাম
থেকে এসে এইশহরে থাকা । বাবা চাকরির
জন্য এখানে থাকতে পারেন না,
সপ্তাহে দু'একদিন আসেন । তাই মা'কেই
সামলাতে হয় সংসারের
পুরো দায়িত্ব।

মধ্যবিত্ত পরিবার, তাই সারা বছর টানা পোড়েন
লেগেই থাকে । লেখাপড়া,বাড়ীভাড়া,বাজার-
খরচ চালাতে মুটামুটি হিমসিম থেতে হয় তাকে,
তার উপর আবার চিরসঙ্গী কোমরের ব্যাথা! শত
কষ্টের মাঝেও তিনি নিজের কথা ভুলে ছেলের
সকল চাহিদা পূরন করেন।
~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~
কিছুদিন পর ১৪ই ফেব্রুয়ারী।
বন্ধুমহলে আনাগোনা শুরু হয়ে গেছে,"কে কার
প্রিয়জনকে কি gift দেবে?"এই নিয়ে । মিজানের
অবশ্য তেমন বিশেষ কেউ নেই। কিন্তু সেও gift
কেনার জন্য টাকা জমাতে থাকে। সে ঠিক করে,
এবার 'ভালবাসা দিবসে' মাকে একটা কিছু
দিবে ।
মার্কেটে অনেক ঘুরাঘুরির পর খুবসুন্দর
একটা শাড়ী পছন্দ করে মায়ের জন্য । কিন্তু
বিপত্তিটা হল দাম নিয়ে! শাড়ীটার দাম
লেখা ৭০০/- টাকা.!(একদর)। কিন্তু ওতো এই
ক'দিনে টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে মাত্র ৩৫০
টাকা জমাতে পেরেছে.! তাই হতাশ
মনে বাড়ী ফেরে সে । ভেবে পায়না,
কি দেবে মাকে । এদিকে ১৪ই
ফেব্রুয়ারী আসতে আর মাত্র একদিন বাঁকি!
অবশেষে সারারাত অনেক
ভেবেচিন্তে একটা আইডিয়া মাথায় আসে!
পরদিন সকালে পা টিপে টিপে মা'র ঘরে যায়,
দেখে মা নামাজ পরছে । চুপিচুপি মায়ের ড্রয়ার
থেকে কি যেন একটা নেয়! তারপর ভাঁজ
করে পকেটে রেখে দ্রুত কেঁটে পরে । এরপর
সোজা চলে যায় দোকানে ।
এদিকে, রাত থেকেই মায়ের কোমরের
ব্যাথাটা বেড়েছে । তাই তিনি ভাবলেন, আজ
অন্তত দুটো ট্যাবলেট কিনে খাবেন ।
অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তিনি ঔষধের
প্রেসকিপ্শনটা খুঁজে পাচ্ছেন না । কিন্তু
ড্রয়ারের মধ্যেই তো ছিল ওটা! গেল কোথায়?
এমন সময় মিজান, সুন্দর একটা গিফ্ট পেপার
দিয়ে মোড়া একটা প্যাকেট নিয়ে মায়ের
কাছে হাজির । মুখে এক চিলতে হাসি, আজ
সে মহাখুশী!
মাঃ এটা কি?
মিজানঃ আজ 'বিশ্ব ভালবাসা দিবস'
তাই তোমার জন্য gift..!
মাঃ এর মধ্যে কি?
মিজানঃ আঃহা খুলেই দেখনা.!
মা অত্যন্ত যত্নের সাথে প্যাকেটটি খোলেন ।
এবং খুলে যা দেখেন, তাতে তো তিনি হতবাক!
প্যাকেটের মধ্যে রয়েছে তার কোমরের
ব্যাথা আর প্রেসারের অনেকগুলো ট্যাবলেট!
প্রায় ১মাসের ওষুধ,সাথে প্রেসকিপ্শনটাও!
মাঃ বোকা ছেলে, এসব তুই কেন কিনতে গেলি...
মিজানঃ আমি জানি মা, ঔষধগুলো তোমার জন্য
অনেক দরকারী । কিন্তু
প্রতিমাসে বাড়িভাড়া,বাজার-খরচ আরআমার
টিউশন ফি দিতে গিয়ে তোমার ওষুধ কেনার
টাকা থাকেনা ।
মাঃ কিন্তু ....এতোগুলো টাকা তুই কোথায়
পেলি..?
মিজানঃ টিফিনের
টাকা থেকে বাঁচিয়েছি মা ।
আবেগাপ্লুত মা মিজানকে বুকের
মাঝে জড়িয়ে ধরেন... আর বলেন,"তুই অনেক অনেক
বড় হ বাবা..!"
বলতে গিয়ে মায়ের চোখে পানি চলে আসে ।
মিজান আলতো করে তা মুছে দেয় ।

Sunday, October 9, 2016

একটা পাখি ভালবাসতো একটা লাল গোলাপকে

Edit Posted by with No comments


একটা পাখি ভালবাসতো একটা লাল   গোলাপকে

প্রস্তাব দিলো কিন্তু
গোলাপ তার
ভালবাসাকে প্রত্যাখ্যান
করল
পাখিটি বার বার
এলো এবং তার
ভালবাসার প্রস্তাব দিলো
একদিন
লাল গোলাপটি বলল
যদি অমার
রং লাল থেকে লাল
করে দিতে পারো তাহলে আমি তোমাকে ভালবাসব
পাখিটি তার নিজের
ডানা কেটে ফেললো এবং রক্ত
ছরিয়ে পরলো লাল গোলাপটি লাল
হয়ে গেল
এখন
গোলাপটি বুঝতে পারলো পাখিটি তাকে কত
ভালবাসত
কিন্তু অনেক
দেরি হয়ে গেছে পাখিটি মারা গেছে

 গোলাপকে
একদিন পাখিটি তার
ভালবাসার
প্রস্তাব দিলো কিন্তু
গোলাপ তার
ভালবাসাকে প্রত্যাখ্যান
করল
পাখিটি বার বার
এলো এবং তার
ভালবাসার প্রস্তাব দিলো
একদিন
 গোলাপটি বলল
যদি অমার
রং  থেকে লাল
করে দিতে পারো তাহলে আমি তোমাকে ভালবাসব
পাখিটি তার নিজের
ডানা কেটে ফেললো এবং রক্ত
ছরিয়ে পরলো  গোলাপটি লাল
হয়ে গেল
এখন
গোলাপটি বুঝতে পারলো পাখিটি তাকে কত
ভালবাসত
কিন্তু অনেক
দেরি হয়ে গেছে পাখিটি মারা গেছে