Saturday, March 25, 2017

রেস্পেক্ট গার্লস, হেল্প গার্লস, বি হিরো

Edit Posted by with 1 comment
আজ যে পোস্টটি আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি।
ব্যাপারটা সবার বোঝা উচিত।
মেয়েটি হয়তো অফিস থেকে ফিরছিল... বাসে প্রচণ্ড ভিড় হওয়াতে এক কোণে দাঁড়িয়ে ছিল।
আমি তার ঠিক পিছনে দাঁড়িয়ে। 
মুম্বাই আন্ধেরি থেকে গতকাল চেমবুর মুম্বাই অমার রুমে ফিরছিলাম।
হঠাৎ দেখি মেয়েটি এপাশ ওপাশ করছে, বোঝাই যাচ্ছিল অস্বস্তি বোধ করছে।
খেয়াল করে দেখলাম পাশের লোকটি মাঝে মাঝেই কনুইটা মেয়েটার শরীরের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল।
ভিড় থাকায় অনিচ্ছায় কিংবা ইচ্ছা করেই করছিল সেটা  নিশ্চিত না হয়ে তো লোকটিকে কিছু বলাও যায় না।
আমি একটু এগিয়ে গিয়ে লোকটা আর মেয়েটির মাঝে গিয়ে দাঁড়ালাম আর মেয়েটির পাশে যথেষ্ট জায়গা রেখে দিলাম যাতে উনি কমফোর্ট বোধ করেন। পরে এক জন লোক নামতে মেয়েটি সিট পেল। 
রাস্তা ঘাটে চলতে গেলে কিছু বিকৃত মস্তিস্কের পারভার্টেড মানুষদের জন্য এরকম বাজে অভিজ্ঞতা প্রায় সব মেয়েরই জীবনে কখনো না কখনো হয়।
মানুষ হিসেবে যৌন অনুভুতি ছেলে মেয়ে দুজনেরই থাকলেও অনুভুতি তৈরি হওয়ার বিষয়টা সম্পুর্ন আলাদা।
মেয়েদের অনুভুতি হয় মানুষ কেন্দ্রিক আর ছেলেদের হয় শরীর কেন্দ্রিক। 
প্রকৃতিগতভাবে আমরা এভাবেই তৈরি।
মেয়েরা যে মানুষকে পছন্দ করে, ভালোবাসে, অনুভব করে, শুধু তার জন্যই তাদের এই অনুভুতি তৈরি হয়।
কিন্তু ছেলেদের ক্ষেত্রে একটা শরীর হলেই অনুভুতি তৈরি হয়, এই কারণে পতিতালয় বা আবাসিক
হোটেলগুলোতে ছেলেরাই যায়, টাকা দেয়, খানিক সময় মজা নেয়, এরপর ফিরে আসে।
কিংবা মুভিতে বা রাস্তাঘাটে হট আকর্ষণীয় মেয়ে দেখলেও অনুভুতি জাগে, কিংবা রেপ। 
আকর্ষণীয় হতে হয় না, অনেক সময় বোরখা পরা মেয়ে কিংবা কাজের লোকও বাদ যায় না, এমনকি
কিছু কিছু সময় দুই তিন বছরের শিশুরাও। আজ কাল সংবাদে মাঝে মধ্যেই শোনা জায়।
মেয়েদের দেখলে ছেলেদের যৌন অনুভুতি তৈরি হতেই পারে, এটা নরমাল। 
টেস্টোস্টেরন হরমোন থাকলে হবেই, এটা খারাপ কিছু না কিন্তু একে নিয়ন্ত্রণ না করতে পারলে সেটা অবশ্যই খারাপ কিছু।
যাকে পেলাম তার সাথে শুয়ে পড়লাম কিংবা ভিড়ের মধ্যে কোন এক মেয়ের সাথে শরীর ঘষার চেষ্টা করলাম, এগুলো অবশ্যই খারাপ, এটা পারভার্শন, তবে এদের সংখ্যা কম, বেশিরভাগ ছেলেই ভাল।
নিজের স্ত্রী বা পতিতা- যার সাথেই শোয়া হোক প্রক্রিয়া, পদ্ধতি একই রকম কিন্তু পার্থক্য একটাই যে
পতিতার ক্ষেত্রে ভালোবাসা থাকে না, বউয়ের ক্ষেত্রে সেটা থাকে এই জন্যই পতিতার সাথে শুলে
সেটা হয় সেক্স, আর স্ত্রীর সাথে সেটা হয় লাভ মেকিং।
একটি সম্পর্ক হোক সেটা শারীরিক বা মানসিক, সেখানে সব সময় থাকা উচিত একে অপরের প্রতি সম্মান, ভালোবাসা ও সত্যিকার অনুভুতি। মানুষ ও পশুর মাঝে এখানেই পার্থক্য।
রাস্তাঘাটে মেয়ে পেলেই নিজের যৌনতা প্রকাশ করার মধ্যে আসলে কোন পুরুষত্ব নেই, প্রকৃত পুরুষ তারাই যারা নারীদের সম্মান করে, তাদেরকে সেফ রাখে, হোক সেই নারী একজন কাজের লোক কিংবা সম্পূর্ণ অচেনা একজন মানুষ।
আরো নতুন নতুন টিপস পেতে ভিজিট করুন http://www.amadertips99.com/

মজার ম্যাজিক

Edit Posted by with No comments
আজ একটু মজা হবে।
আজ একটা ম্যাজিক হবে।
চলুন শুরু করা জাক...
Magic - Valobasa
আজ আমি তোমাকে নিয়ে একটা পরিক্ষা করব।
এই পরীক্ষা বলে দেবে তোমার কি খেতে পছন্দ।
কি? শুনে একটু অবাক হচ্ছেন নাকি?
অবাক হবার কারন নেই, যেমন যেমন বলা হচ্ছে ঠিক তেমন তেমন করতে থাকো, ফলাফল এখনি জানতে পারবেন।
প্রথমে,
১ থেকে ৯ এর মধ্যে যে কোন একটা সংখ্যা পছন্দ করো।
পছন্দ হয়ে গেলে, তাকে ৩ দিয়ে গুন করো।
এবার তার সাথে ৩ যোগ করো। আবার তার সাথে ৩ গুন করো।
এবার যে উওর টি আসবে তার সংখ্যা দুটিকে যোগ করে যে যোগ ফল আসবে সেটাই পছন্দের খাবার।
উওর টা একবার দেখে নাও...
১. আইসক্রিম
২. চাউমিন
৩. এগরোল
৪. চিকেন
৫. বার্গার
৬. ফ্রাইডরাইস
৭. রসগোল্লা
৮. ফুচকা
৯. গোবর
কি ঠিক এটাই পছন্দ তো?
অন্য সংখ্যা ভেবে আবার চেষ্টা না করাই ভালো।
আজ এই পর্যন্তই।
আপনার পছন্দের খাবারটা কমেন্ট করে জানাবেন।
আরো নতুন নতুন টিপস পেতে ভিজিট করুন http://www.amadertips99.com/

দাদা বৌদি

Edit Posted by with No comments
আজ আমাদের হবু বৌদি আর দাদার মধ্যে কথা হচ্ছে।
আসুন শোনা যাক কথা-বার্তার কিছু অংশ।
Dada Boudi Fun - Valobasa

বৌদি - তুমি বিয়ের সময় আমার বাবার কাছ থেকে কি কি যৌতুক চাইবে?
দাদ - বেশি কিছু না, বাথরুম বানানোর জন্য ১ লাখ টাকা!

বউদি- কি!! বাথরুম বানানোর জন্য !!?
দাদ - হ্যাঁ, বিয়ের পর যখন ঝগড়া করবে, তখন তুমি বলবে 'আমার বাবা
বিয়েতে ১ লাখ টাকা দিয়েছে, ভুলে গেছ নাকি? 
আর তখন আমি বাথরুমে গিয়ে বলব,
তোমার বাবার টাকায় আমি মুতি।
আরো নতুন নতুন টিপস পেতে ভিজিট করুন http://www.amadertips99.com/

পাগলী মেয়েটা

Edit Posted by with No comments
বেশ কিছুদিন পর আবার একটা 
পোস্ট করছি, তাই আজ একটু বড় এবং ভালো কিছু দেব।
Girl At Station - Valobasa

আকাশটা আজ সকাল থেকেই বড্ড বেঁকে বসেছে। 
একরকম পালা কীর্ত্তণের মতই কম বেশি বৃষ্টি হয়েই চলেছে। দুপুরই হবে বোধয়। এই মফস্মল শহরের প্লাটফর্মে লোকজন প্রায় নেই বললেই চলে।
বেশ শুনশান মতই। শুধু বৃষ্টির জলের অবিরত শব্দ ছাড়া আর শোনবার মত কিছু নেই এখানে।
কিন্তু ওয়েটিং শেডের কোনের দিকটার ঘটনাটি একটু অন্যরকম। 
দূর থেকে কেউ দেখলে বুঝতে পারবে না সেখানে কি ঘটে চলেছে। 
ওয়েটিং শেডের নীচেই একটা বছর ২৪ কি ২৫ এর ছেলেকে দেখা যায়। 
সে উন্মাদের মত দিশেহারা হয়ে কি যেন খুঁজে চলেছে। তন্য তন্য করে কিসের যেন সন্ধান করছে।
"হ্যালো....আপনি কি কিছু খুঁজছেন ওখানে?" প্রশ্নটি শুনে ছেলেটির হুঁশ ফেরে।
সে পেছনে ফিরে চাইতেই দেখল কলেজ স্টুডেন্ট টাইপের একটা মেয়ে অদূরেই দাঁড়িয়ে তার দিকে চেয়ে আছে।
"বলছি আপনি কি কিছু খুঁজছেন? অনেকক্ষন থেকেই আপনাকে দেখছি..., কিছু হারিয়েছে কি আপনার?" মেয়েটি আবার বলল।
ছেলেটি ভগ্ন স্বরে একরাশ উত্তেজনা নিয়েই বলল,"আজ এখানে একটা সবুজ প্যাকেটে আমি আমার অ্যাডমিট কার্ড আর ইন্টারভিউ লেটার শুদ্ধু একটা ফাইল ভুল করে ফেলে গেছি। আমার সব শেষ হয়ে গেল..., কালই আমার ইন্টারভিউ...।"
ছেলেটি ভেঙে পড়ল হতাশায়, মাথা হেঁট করে বসে পড়ল নিচে। কতক্ষন যে এরকম বসেছিল সে জানেনা। 
সহসা মেয়েটির কন্ঠস্বরে তার স্নায়ুগুলি সজাগ হয়ে ওঠে, লাফিয়ে উঠে পড়ে সে।
"আবির গোস্বামী..., এল.এল.এম. ফ্রম ক্যালকাটা ইউনিভার্সিটি..., পাসড ডব্লিউ বি সি এস মেইন এক্সাম...।
"মেয়েটি মুখে চটুল হাসি নিয়ে একটি ফাইল খুলে পড়তে থাকে। 
এইতো তার ফাইল! সে এক ছুটে মেয়েটির কাছে চলে যায়। 
হারাধন পাওয়ার আনন্দে তার সর্বশরীর উত্তেজনায় কাঁপতে থাকে। চোখে জল চলে আসে তার।
মেয়েটি ফাইলের ডকুমেন্ট পড়া বন্ধ দিয়ে ছেলেটির দিকে তাকাল।
খিলখিল করে একরেশ হেসে নিয়ে বলল, "জানতাম, কোনো এক বেখেয়ালী পাগল এটার জন্য দিকবিক জ্ঞানশূন্য হয়ে আসবেই, তাই পড়ে রইলাম এখানে।"
ছেলেটি তার অন্তরের সর্বশক্তি দিয়ে মেয়েটিকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানালে মেয়েটি বলল "ব্যাস দ্বায়িত্ব সেরে ফেললেন? আমি এতক্ষন এখানে বসে রইলাম শুধু ধন্যবাদের জন্য বুঝি?
একঝাঁক উস্কো খুস্কো চুলের দোকান মাথায় নিয়ে ছেলেটি জিজ্ঞাসুভাবে চেয়ে রইল তার দিকে।
মেয়েটি চোখ টেরিয়ে বলল, "ট্রিট দিতে হবে। এই বৃষ্টিতে আপনার ধন্যবাদ নিয়ে করব'টা কি শুনি?"
ছেলেটি লজ্জিত হয়ে বলল, "কি ট্রিট চান বলুন প্লিজ...আমি দেব।"
"থাক এখন ট্রিট দিতে হবেনা। আগে এক্সাম পাশ করুন, জব পান তারপর নাহয় ট্রিট দেবেন!"
ছেলেটি কি যেন একটা তালগোলের মধ্যে পড়ল। 
খানিক ভেবেই উতকন্ঠিত হয়ে বলে, "বুঝলাম, কিন্তু আপনাকে পাব কোথায়?"
প্লাটফর্মে ট্রেন ঢুকে পড়েছে। 
মেয়েটি তড়িঘড়ি করে ছাতা মাথায় দিয়ে ট্রেনটির দিকে এগিয়ে যায়; তারপর পিছনে ফিরে চায়। খিলখিল করা হাসির ফোয়ারা তুলে ছেলেটিকে বলল, "আবার কিছু হারিয়ে ফেলবেন যখন, আমাকে পেয়ে যাবেন।"
ট্রেন ছেড়ে দেয়, ঘটনাটি কি যে ঘটে গেল ছেলেটি বুঝে উঠতে পারল না। একহাতে ফাইলটি নিয়ে উদাসীনভাবে চলন্ত ট্রেনটির দিকে চেয়ে থাকে।
কে এই মেয়েটা? 
নিশ্চই ভগবান তার দূত পাঠিয়ে দিয়েছিলেন তার মত পাগলকে উদ্ধার করতে।
ফাইলটা হাতে নাড়াচাড়া করতে গিয়েই হাত থেকে উল্টে পড়ে যায়। ছেলেটি যখন নিচু হয়ে ফাইলটি তুলতে গেল, যে জিনিসটা তার চোখে পড়ল সেটি তার কল্পনাতেও ছিল না!
একটু ভালো করে দেখলে দেখা যাবে, ফাইলের উল্টো দিকে মুক্তোর মত অক্ষরে একটা লেখা, " এরকম বেখেয়ালী আর হবেন না।তখন ট্রেন ছেড়ে দিয়ে আবার আপনার জন্য সারাবেলা প্লাটফর্মে অপেক্ষা করতে পারব না কিন্তু। ইন্টারভিউতে ফল ভাল হোক, শুভেচ্ছা রইল।"
লেখার শেষে দশটা ডিজিটের একটা নাম্বার দেখা গেল, হ্যাঁ মোবাইল নাম্বার।
ছেলেটি আশ্চর্য তো হলই কিন্তু এতক্ষন কি যেন একটা জিনিস তার কাছ থেকে হারিয়ে গেল এই চিন্তা তার চেতনায় ঘুরপাক খাচ্ছিল তাকে আবার ফিরে পেল।
দূর হতে দূরে চলে যাওয়া ট্রেনটির দিকে সে একবার চাইল। 
বাদলা হাওয়ার শীতলতায় একবার নিজেকে জুড়িয়ে নিল।মনের গভীর হতে ঠোঁটের কোনে একচিলতে হাসি নিয়ে আনমনে বলে উঠল, "পাগলি মেয়েটা।"
আরো নতুন নতুন টিপস পেতে ভিজিট করুন http://www.amadertips99.com/

ছেড়ে যেতে দিবিনা

Edit Posted by with No comments
আজ আপনাদের জন্য একটা ভালোবাসার গল্প।
আর একটা কথাই বলব, 
একজন রাগ করে থাকলে, অপরজনকে রাগ ভুলে গিয়ে অন্যজনকে মানানোর চেস্টা করতে হবে।
নাহলে সে সম্পর্কে তিক্ততা আসবেই।
যাকে ভালোবাসি তার সামনে মাথা নিচু করতে যদি ইগো হার্ট হয় তাহোলে সম্ভব না।
Lovers Hand - Valobasa
- তোমার কাছে আমার যা যা আছে সব কিছু ফেরত নিয়ে আসবে, কিচ্ছু বাদ রাখবেনা।
- আচ্ছা ঠিক আছে, তুমিও আমার সব কিছু নিয়ে এসো।
- হুম, তোমার ফোনে যে গতকাল ২০ টাকা রিচার্জ করে দিয়েছিলাম, আসতে একটা ২০ টাকার কার্ডও নিয়ে আসবা মনে করে।
- আচ্ছা ঠিক আছে, রাখি... বাই!!

কিছুটা রাগ ও বিষন্ন মনে ফোনের লাইনটা কেটে দেয় মোহিত। মেয়েটা এমন কেন !?
সামান্য ব্যাপারেই রাগারাগি করে কিন্তু আজ সে ব্রেকাপ চাচ্ছে !! 
বেশী বাড়াবাড়ি অসহ্য লাগে মোহিতের।

নিজ থেকে সরি টরি বোলে, হাতে পায়ে ধরে গার্লফ্রেন্ড কে ঠান্ডা করার মত ছেলে না মোহিত।
সুস্মিতা যদি ব্রেকাপ করতে পারে সে কেন পারবে না!? 
মোহিত কাঁপা কাঁপা হাতে সুস্মিতার দেয়া সব গিফট এবং ফটো গুলো একটা ব্যাগে গোছাচ্ছে। 
আজ বিকেলেই এগুলো নিয়ে দেখা করতে হবে।
আজই শেষ দেখা। আজই ব্রেকাপ।

ধানমন্ডি লেকের সেই জায়গাটিতেই বসে আছে সুস্মিতা, যেখানে তাদের প্রথম দেখা হয়েছিলো।
ফেরত আনা জিনিস গুলোর ব্যাগ হাতে সুস্মিতার পাশে এসে দাঁড়ালো মোহিত। 
সুস্মিতা অন্য দিকে তাকিয়ে বললো,
- সব কিছু ঠিক ঠাক এনেছো তো ?
- হুম এনেছি।
- ভেরী গুড। এই যে আমার ব্যাগটা ধরো, এখানে তোমার দেয়া সব কিছু আছে।
সুস্মিতা উঠে দাঁড়িয়ে তার ব্যাগটা মোহিতের হাতে দেয়, মোহিতও তার হাতে থাকা ব্যাগটা এগিয়ে দেয় সুস্মিতার
দিকে। 
“ভালো থেকো, আর নিজের প্রতি খেয়াল রেখো” —বলেই মোহিতের সামনে থেকে হনহন করে চলে যায় সুস্মিতা।
মোহিত কিছু বলতে পারে না। স্তব্ধ হয়ে সেই জায়গাটিতেই নির্বাক হয়ে বসে পড়ে। 
সুস্মিতা সত্যি সত্যিই তাকে ছেড়ে চলে গেল...!

এক ধরনের শূন্যতা এসে ভর করতে শুরু করলো মোহিতের বুকের ভিতর। 
মহা মূল্যবান একটা জিনিস হারিয়ে ফেলতে যাচ্ছে সে।
পৃথিবীটা কেমনযেন একদম ছোট হয়ে আসছে তার।
মোহিত চুপটি করে সেখানে বসেই রইলো। কতক্ষণ মনে নেই।

খানিক বাদেই হঠাৎ বিদ্যুৎ গতিতে একজন পেছন থেকে এসে মোহিতে শার্টের কলার চেপে ধরলো। 
সেই কেউ একজন আর কেউ নয় সুস্মিতা’। 
মেয়েটার চোখমুখ একদম লাল হয়ে আছে, বাচ্চাদের মত ফোঁপাচ্ছে। 
মোহিতকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই সুস্মিতা একটানা বলতে শুরু করলো -
“তুমি আমাকে একটাবারও ফেরালে না কেন? ব্রেকাপ টা যেন না করি সে চেষ্টা করলে না কেন? একটিবার ‘সরি’ বলে আমার রাগ ভাঙালে না কেন? আমি কেন তোমার সাথে সব সময় ব্রেকাপ করতে চাই, ঝগড়া করি, রাগারাগি করি, তুমি বোঝো না? 
একটু আমার রাগ ভাঙিয়ে আদর করে দিতে পারো না? 
সব কিছু কি বলে বলেই বোঝাতে হবে? নিজে থেকে কিছু বুঝতে পারো না?

মোহিত ঠিক এই মুহুর্তে কি বলবে বুঝতে পারছে না।
সে শুধু কেঁদে কেঁদে ফোঁপাতে থাকা রাগিরাগি করা মেয়েটিকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে আছে আর ভাবছে, এই মেয়েটিকে ছাড়া সত্যিই তার দিন চলবে না। 
তার বুকের ভিতরটা কেমনযেন শান্তি ও ভালোলাগাতে পরিপূর্ণ হয়ে গ্যাছে, সে যেন তার মহামূল্যবান কিছু একটা
ফেরত পেয়েছে, তার হঠাৎ করে ছোট হয়ে আসা পৃথিবীটা ধীরে ধীরে বিশাল আকার ধারন করছে...।
আরো নতুন নতুন টিপস পেতে ভিজিট করুন http://www.amadertips99.com/
Lovers Lovly Hand - Valobasa